মোঃ আবুল হোসেন ।।
বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে কারিগরি শাখায় জানুয়ারি মাস থেকে অদ্য পর্যন্ত অতিরিক্ত ৪% কর্তন অব্যাহত আছে। অপর দিকে জেনারেল শাখার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় তা থেকে বিরত আছে। একই শিক্ষা ব্যবস্থায় দুই ধরনের নিয়ম এ জন্য শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাট প্রভাব ফেলছে।
অতিরিক্ত ৪% কর্তনের প্রজ্ঞাপন শুধু কারিগরি শাখার জন্য করা হয়েছে নাকি উভয় শাখার জন্য করা হয়েছে শিক্ষক সমাজ তা জানতে চায়?
সচিব ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু নিয়ম ভিন্ন হতে পারে না। সবার অধিকার এখানে সমান।
কারিগরি ও মাদ্রাসার সচিব মোহদয় কেন অতিরিক্ত ৪% কর্তন বন্ধ না করে চালু রেখেছেন এটা বোধগম্য নয়? কারিগরি শাখায় ১০% এবং জেনারেল শাখায় ৬% এটা চরম বৈষম্য নয়? কারিগরি শিক্ষকদের সাথে যা ঘটতেছে তা দ্বৈত শাসনে পরিনত হচ্ছে।
এটা একধরণের শোষণ বলা যেতে পারে। যা শিক্ষা ব্যবস্থায় বিমাতৃসুলভ আচরণ। কেউ পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা পাবে এবং কেউ পাবে অর্ধেক তা মোটেও শুভলক্ষণ নয়।
অবসর ও কল্যান তহবিলের সুযোগ সুবিধা যেহেতু একই থাকবে একই শিক্ষা ব্যবস্থায় দুই রকম আইন প্রযোজ্য নয়। যেহেতু কারিগরি ও জেনারেল শাখার শিক্ষকরা একই পাঠ্য বইয়ে পাঠদান করে থাকে সেহেতু এই অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না।
এই কর্তনের ফলে কারিগরি ও জেনারেল শাখার মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বেতনে যা কারোর কাম্য হতে পারে না। তাই অনতিবিলম্বে এই কর্তন বন্ধ করার জন্য অনুরোধ রইল কতৃপক্ষের নিকট। কর্তন বন্ধ না করা হলে কারিগরি ও জেনারেল শাখার মধ্যে বেতন সমতা করুন।
এই দ্বৈত শাসন কোন মতে মেনে নেওয়া যায় না।
জেনারেল শাখার সচিব মোহদয় যেখানে কর্তন করা এখনো বন্ধ রেখেছেন। প্রজ্ঞাপন বাতিল না করে ও যদি জেনারেল শাখার কর্তন বন্ধ হতে পারে তাহলে কারিগরি শাখা নয় কেন? আশা করি কারিগরি সচিব মোহদয় এই অতিরিক্ত ৪% কর্তন বন্ধ করার জন্য স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহন করবেন। অতিরিক্ত ৪% কর্তনের প্রজ্ঞাপন সকল বেসরকারি শিক্ষকদের স্থায়ীভাবে বাতিল করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবুল হোসেন
কুকুটিয়া কে, কে, ইনস্টিটিউশন
শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ
সিনিয়র যুগ্ম- মহাসচিব ( কেন্দ্রীয় কমিটি)
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি।
You must be logged in to post a comment.