সুপারিশ পরবর্তী সকল কাজ যে কতটা অসহ্যকর, সেটা যারা করছি তারাই বুঝতেছি। চাকরীটা কি আমাদের যোগ্যতায় হয়েছে নাকি এনটিআরসিএ এর করুনায় হয়েছে সেটাই জানি না!! ওরা তো করুনা করেছে আর বিভিন্ন দপ্তরকেও আমাদের করুনা করার সুযোগ দিয়েছে।
প্রথম,
ভেরিফিকেশন … এক নাকানিচুবানি।
দ্বিতীয়,
নিয়োগপত্র -যোগদানপত্র, স্কুল কমিটির করুনার পাত্র।
তৃতীয়,
Mpo আবেদনের জন্য ফাইল প্রস্তুত। সর্বোচ্চ ৩৩-৩৭ টা কাগজপত্র রেডি করা যার ৮০% স্কুল কর্তৃপক্ষের দেবার কথা৷ সেগুলা গোছাতে অনেকের চাকরি করার স্বাধ ইতিমধ্যে মিটে গেছে। যারা কাগজপত্র যোগাড় করেছেন অথচ স্কুলের কমিটি এ্যাডহক,তাদের আবার নাকানিচুবানি খেতে হয়েছে ডিও স্যারের প্রতিস্বাক্ষর আনতে গিয়ে। টাকার বিনিময়ে স্বাক্ষর!!! বাহ!
আমি বুঝিনা যে এ্যাডহক কমিটিও শিক্ষা অফিসের অনুমোদনই হয়েছে তাহলে ডিও স্যারের স্বাক্ষর কেন লাগবে???? ডিও অফিস থেকে আমাকে তো সরাসরি বলল প্রতিটা ফাইলের জন্য ডিও স্যারকে ২০০০ টাকা হিসাব করে দিতে হয়।
চতুর্থ,
Mpo আবেদনের সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে অনলাইনে সাবমিট করারপর সেটা উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জেলা শিক্ষা অফিস,সেখান থেকে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস মানে ডিডি অফিস, তারপর ঢাকা। প্রতিটা অফিস থেকে ফরোয়ার্ডিং পেতে কার কার কত টাকা দিতে হয় তা এই মাসের শেষ নাগাদ জানা যাবে।
সকল কিছু তো এনটিআরসিএ যাচাই বাছাই করেছেই যখন আমরা গনবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করেছিলাম। তাহলে নিয়োগ সুপারিশ পাবার পর প্রতিটা ক্ষেত্রে আমাদের এত ভোগান্তি কেন?
You must be logged in to post a comment.