শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় ঝিনাইদহ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, হঠাৎ করে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এখন অন্তর্ভূক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি উঠছে। এরা বিগত ১৭ বছরে অন্তর্ভূক্তিমূলক নির্বাচনের কথা একবারও বলেনি। বিদেশি মদদে তারা ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যাকারী হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার পায়তারা করছে। কিন্তু ২৪ এর জুলাই বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দলগুলো সেই সুযোগ দেবে না। আমরা কোনো ভাবেই আওয়ামী লীগ কে নির্বাচন করতে দেবো না। গণহত্যাকারী, দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দেশে আর জায়গা দেয়া হবে না। ২৪ বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলো নিয়েই অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হবে।
আওয়ামী শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে হাসিনা ধ্বংস করে দিয়েছে। শেখ মুজিব ৭২ এ বাকশাল কায়েম করে গণহত্যা চালিয়েছিল। হাসিনাও তার বাবার মতো একই ভাবে গণহত্যা চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে শহিদ করেছে। কাজেই, গণহত্যাকারী হাসিনার ফাঁসি দিতেই হবে। আওয়ামী লীগ ও হাসিনার ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি।
আওয়ামী দোসরদের আশ্রয় দেয়া হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ডামি এমপিরা এখন নানা জায়গায় অর্থ বিলিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে। অনেক নেতা মঞ্চে বড় বড় কথা বললেও তলে তলে আওয়ামী ডামি এমপিদের অর্থ নিয়ে তৃণমূলের গিয়ে রাজনীতি করছে। ডামি এমপি ও আওয়ামী দোসরদের যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না।
গণঅধিকার পরিষদ ঝিনাইদহ জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদুল হাসান মিল্টন, পেশাজীবি অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রাসেল আহমেদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক রিহান হোসেন রায়হান, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব সাইদুর রহমান, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি রকিবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মিশন আলী প্রমুখ।
You must be logged in to post a comment.