মোঃ সাইদুল হাসান সেলিম।।
একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদের অতিরিক্ত ৪% কর্তনের আদেশের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দেশের এমন কোন পেশাজীবী নেই, যাদের অবসর কল্যাণে মূল বেতন স্কেলের ১০% কর্তন করা হয়। ১৯৯২ সাল বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিরা কল্যাণ ও অবসর তহবিলে ৬% কর্তন করে আসতেছিল। ২০১৫ সালে জাতীয় পে- স্কেলে অন্তর্ভুক্তির পর শিক্ষকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই অতিরিক্ত ৪% কর্তনের প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের সারা দেশের শিক্ষক কর্মচারীরা এই অমানবিক কর্তনের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ফলে দীর্ঘদিন কোন প্রতিক্রিয়া না দেখালেও আজকে হঠাৎ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানুয়ারি ২০১৯ থেকে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর্তনের আদেশ জারি করে। বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরামের পক্ষ থেকে এই অমানবিক কর্তনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টে ইতিপূর্বে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষক কর্মচারীদের প্রদেয় অর্থ আয় ব্যয়ের হিসাব সম্পর্কে শিক্ষকরা কিছুই অবগত নেই। পেশাগত বঞ্চনা বৈষম্য নিমজ্জিত বেসরকারি শিক্ষকদের কষ্টার্জিত টাকার সঠিক আয় ব্যয়ের শ্বেতপত্র প্রকাশ করার জোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে আমলাদের বিদ্বেষী মনোভাব পরিহারের অনুরোধ করছি।
লেখক
সভাপতি
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম।
You must be logged in to post a comment.