সিলেট নগরীর ব্যস্ততম চৌহাট্টা-দরগাইেট আম্বরখানা রাস্তা থেকে অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড উচ্ছেদে সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে শ্রমিকদের তোপের মুখে বাধা সৃষ্টিতে হয় বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। শ্রমিকদের সাথে সিটি কর্মকর্তাদের সাথে সংঘর্ষে বাধলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে চেষ্টা চালায় এতে শ্রমিকরা পুলিশের উপর চওড়া হয় পুলিশকে মারধর শুরু করে। এতে আহত হন পুলিশ সহ প্রায় ১৫/১৬ জন।
ওই দিন ঘটনাস্থল থেকে সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফয়সল আহমদ ফাহাদ (৩৮) নামক একজনকে অস্ত্রসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে গ্রেফতারের পর সিলেট জুড়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেফতারকৃত যুবক কার পক্ষ নিয়ে বন্দুক নিয়ে মারা মারিতে গিয়ে ছিলেন তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন? এ দিকে চৌহাট্টা শাখার কার-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি অরুণ দেবনাথ জানান, গ্রেফতারকৃত ফাহাদ তাদের কোন শ্রমিক নয়। এ দিকে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন,পুলিশের কাছে আটক ফাহাদ পরিবহণ শ্রমিক তার উপর হামলার জন্য বন্দুক নিয়ে এসে ছিলেন।
অপর দিকে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ফয়সল আহমদ ফাহাদ (৩৮) সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সিলেট সিটি করর্পোরেশনের কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খানের ঘনিষ্ঠজন। বৃহস্প্রতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী সিলেটের বিভিন্ন অন লাইন বিভিন্ন নিউজ পোর্টালের ছবিতে দেখায় ফয়সল আহমদ ফাহাদ সিটি মেয়র আরিফ ও আফতাবের পাশে হেটে যেতে দেখা যায়,তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে ফাহাদ আসলে কার লোক।
১৭ ( ফেব্রুয়ারী) বুধবার রাতে সিলেট মহানগর পুলিশ ৩টি এসল্ট মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০-১৫০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট কতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.এম. আবু ফরহাদ। সিলেট জেলা সড়ক পরিবণ শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি ময়নুল ইসলাম জানান, ২২ ফেব্রুয়ারী সোমবার থেকে শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে।
You must be logged in to post a comment.