৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের মাইজগাও এলাকায় তেল বাহি একটি ট্রেনের ৭ টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর থেকে সিলেটের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে শুক্রবার বেলা ৩ টা পর্যন্ত লাইনচ্যুত হওয়া বগিগুলো উদ্ধার কাজ শেষ হয়নি। যার ফলে দুটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
কখন সিলেটের সাথে ঢাকাসহ সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ।
তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় প্রায় ৮০০ মিটার রেললাইন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। রেললাইন সংস্কার করে বগি উদ্ধারের পর সচল হবে রেলযোগযোগ। উদ্ধার কাজ আজকে শেষ নাও হতে পারে, এমনটিও জানিয়েছেন রেলওয়ের একাধিক কর্মী।
শুক্রবার মাইজগাওয়ে দুর্ঘটনাস্থলে যান রেলওয়ের বিভাগীয় আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) সাদিকুর রহমান, তিনি জানান রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হতে ককতক্ষণ সময় লাগতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রেলওয়ের ৬টি ইউনিটের ২০০ জন কর্মী লাইনচ্যুত বগি গুলো উদ্ধারে কাজ করছে। উদ্ধারকারী ট্রেনও সকাল থেকে কাজ করছে। তবে যে জায়গায় ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে সেখানে একটি সেতু রয়েছে। এই সেতুর কারণে উদ্ধার কাজে কিছুটা সময় লাগছে। সেতুটি যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এজন্য সতর্কতার সাথে কাজ করতে হচ্ছে।
কি কারণে ট্রেনটি দুর্ঘটনা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান এই দুর্ঘটনার কারন খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি কঠন করা হয়েছে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।
এদিকে সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক খলিলুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার কারণে আজ সিলেট থেকে পাহাড়িকা ও জয়ন্তিকা ঢাকা ছেড়ে যায়নি। ঢাকা থেকে আসা আন্তঃনগর উপবন এক্সপ্রেস কুলাউড়ায় ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা উদয়ন এক্সপ্রেস শ্রীমঙ্গলে আটকা পড়েছে। কখন নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তাও বলা যাচ্ছে না।
You must be logged in to post a comment.