কুমিল্লায় কোরআন শরিফ অবমাননার ঘটনা নিয়ে সিলেটের জকিগঞ্জে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ও সংঘর্ষের অন্তত ৪০ জন হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষ চলাকালে ইউএনও, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ওসি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
১৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দিন জুড়ে এ ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত জানা গেছে, কালিগঞ্জ বাজারে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত র্যাব, পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ঘটনার প্রতিবাদে কালিগঞ্জ বাজারে ১৩ অক্টোবর বুধরার সন্ধ্যার পরে মিছিলের জন্য মাইকিং করা হয়।
এশার নামাজের পর বিক্ষুব্ধ জনতা বিশাল মিছিল বের করে। এসময় উত্তেজিত জনতা দায়িত্বরত পুলিশের উপর চড়াও হয়। এরপর মিছিলটি মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে ইউএনও, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিজস্ব গাড়ি রাখা দেখতে পেয়ে গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় মিছিলকারীরা।
জকিগঞ্জ উপজেলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে ঊগ্র গোষ্ঠী পরিকল্পিত ভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা কোনো ভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে দেবো না। এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন কাজ করছে।
এ প্রসঙ্গে ঘটনাস্থলে থাকা সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জকিগঞ্জ সার্কেল) জাকির হোসেন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়া হয়েছে। পরিস্থিতি অনেকটা থমথমে রয়েছে। পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের সঠিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে র্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে।
You must be logged in to post a comment.