ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি.।।
সাভার মজিদপুর এলাকায় প্রগতি স্কুলের ৭ম শ্রেণীর ছাএী শামীমা (১৩) ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলে প্রতিবেশীদের এক স্বাক্ষাৎকারে জানান যে, দুই দিন পূর্বে বাড়ীওয়ালা ইমরান তাহার পরিবারকে,দেশেবাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়ে একা এক রুমে ছিল, যেহেতু বাড়ীর অন্য ভাড়াটিয়াগন গার্মেন্টস কর্মী। সেহেতু ঘটনার সময় ভাড়াটিয়া পুরুষ লোক ছিলো না,ঘটনার কিছুক্ষন পর বাড়ির মালিক ইমরান কে স্থানীয় লোকজন আশপাশে দেখতে পায়।
কিছুক্ষন পর ইমরান লোকের ভিরে পালিয়ে যায়, বাড়ীওয়ালা ইমরান এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে,হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করে কথা এড়িয়ে যান। বলে আমি সিংঙ্গাইরে আছি পরে কথা বলবো, এক পরজায় সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে ইমরান,মোবাইল ফোন বন্ধকরে রাখে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আজব এক কাহিনী, স্কুলছাত্রী শামীমার ফাঁসিতে জুলছে কিন্তু দরজা খোলা, সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরাপরে,শামীমার বিছানায় একটি ধারালো ছুড়ি, স্থানীয়দের সন্দেহ তীর বাড়িওয়ালা ইমরানের দিকে।বাড়ীওয়ালা ইমরান বাদী পক্ষের সাথে,মিমাংশা করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

শামীমার মা সিমা বেগম, একজন গার্মেন্টস কর্মী সাভার টেক্সটাইলে হেলপার পদে চাকুরী করে, আজ মেয়ে শামীমা স্কুলে না যাওয়ায়, মা সিমা বেগম দুপুরে খাবারের জন্য বাসাতে আসে। একপর্যায়ে মা মেয়ে শামীমা এক সঙ্গে খাওয়া দাওয়া শেষ করে, দুপুর দুইটার সময় মা সিমা বেগম, কর্মস্থলে যোগদান করে, বিকাল ৩.৩০ মিনিট বাজতে না বাজতে মেয়ে শামীমার মৃত্যুর সংবাদ পায়।
মা সিমা জানান যে, আমি দুপুরে আমার মেয়ে শামীমার সাথে হাসি আনন্দের মধ্যে, খাওয়াদাওয়া শেষ করি, কিছুক্ষন পরে মেয়ে শামীমার মৃত্যুর সংবাদ পাই ।
আমার স্বামী নেই কিছুদিন পূর্বে স্বামী মারা গেছে, দুইটি মেয়ে (১) শাহিদা বিবাহিত শশুরবাড়ী থাকে, (২) শামীমাকে নিয়ে ইমরানের বাড়ীতে ভাড়া থাকি, অনেক কষ্টের মাঝে দিন কাটাতে হয়।
শামীমার বাবার নাম মৃত্যু শামসুল আলম দেশের বাড়ী বগুড়া জেলা, ধুপচাচিয়া থানা, তালোয়া নওদাপাড়া, গ্রামে জন্মগ্রহন করে।
বিকাল ৫টার সময় সাভার মডেল থানায় শামীমার মরদেহ নেয়া হয়, সাভার মডেল থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
You must be logged in to post a comment.