পারভীন আক্তার।।
যদিও দিনবদলের পালা চলছে। দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হতে চলেছে শিক্ষা পরিবারের। চলছে শিক্ষক, কর্মকর্তাদের দক্ষতাবৃদ্ধির বৈচিত্র্যময় মহড়া। শিক্ষার মৌলিক সমস্যাগুলো নিয়ে চলছে চুলচেরা গবেষণা ও অনুসন্ধান।
আসলেই শিক্ষার্থীদের শিখনের,পরিচর্যার মূল জায়গাটি হোলো বিদ্যালয় পরিবেশ এবং কেন্দ্রবিন্দু হোলো শ্রেণিকক্ষ।যদিও শিখনের ক্ষেত্র শ্রেণিকক্ষের ভেতরেও হতে পারে, বাইরেও।
আসলেই এখনো প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর (অবশ্য অধিকাংশ বিদ্যালয়ই) শ্রেণিকক্ষগুলো শিক্ষার্থীদের দীর্ঘসময় অবস্থান বা ধরে রাখবার উপযোগী কি?
হতশ্রী,গুমোট,ভাঙাচোরা, মলিন..
শিক্ষক যতই চৌকশ হোন না কেন, এহেন শ্রীহীন পরিবেশে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয়ের শিক্ষণ-শেখানো কার্যক্রমে প্রেষণা ও আগ্রহ ধরে রাখা বেশ কঠিন বৈকি।
শিক্ষার্থীদের বসার আসনগুলোও তথৈবচ। জেলখানায় বন্দি হয়ে থাকবার মতো হীনমন্যতা নিয়ে ওরা টিকে থাকবে বা সানন্দে বিদ্যালয়মুখী হবে প্রত্যাশা করাটা নিছক বোকামিই হবে বলতে হয়।
আমি এক্ষেত্রে শিক্ষক মান,শিক্ষণ পদ্ধতি ও কৌশল, শিক্ষাপোকরণ ইত্যাদি অনিবার্য বিষয়গুলো আর টানতে চাইছি না।
এক বছর পর বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে আমার মনটা খুব খারাপ করেছে। খুব। সমাধানতো করতেই হবে। জানি,যত মুশকিল ততো আসান। আল্লাহ ভরসা…
লেখক
সহকারি শিক্ষক
নজরুলনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুলনা।
You must be logged in to post a comment.