আব্দুল বারেক ভূঁইয়া, শরীয়তপুর।।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা বিনোদপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউ’পি মেম্বার হারুন মাদবর, মৌলভীকান্দি গ্রামের ফাতেমা বেগম ও রিয়াদ হাসান দুই ব্যক্তির, দুই বছরের বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাদের বহি নং- ১০৭ এবং ৬৩১৫।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিনোদপুর ইউনিয়নের মৌলভীকান্দি গ্রামবাসীদের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, বইছে নানা প্রকারের সমালোচনার ঝড়। ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম ও রিয়াদ হাসান গণমাধ্যমকে জানান, আজ থেকে প্রায় দুই বছর পূর্বে ২নং ওয়ার্ডে ইউপি মেম্বার হারুন মাদবর, আমাদেরকে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করে দিবে বলে আমাদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ৮ কপি ছবি নিয়েছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় গত দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পরেও প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার কার্ড চাইতে গেলে ইউ’পি মেম্বার হারুন মাদবর আমাদের সাথে উচ্চবাক্য করে। আমি ব্যক্তি মাধ্যমে জানতে পারি যে, আমাদের নামে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতা কার্ড, ইউ’পি মেম্বার হারুন মাদবর লুকিয়ে রেখে টিপ সহি জাল করে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সামচুল আলম এর সহযোগীতায় ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মাসাৎ করেছেন। শুধু তাই নয়, মেম্বার হারুন মাদবর ও তার সহযোগীরা আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা নিরূপায় হয়ে শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি ও মেম্বার হারুন মাদবরের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি। এ ব্যাপারে মেম্বার হারুন মাদবরের এর সাথে কথা মুঠোফোনে টাকা আত্মাসাৎতের বিষয়টি জানতে চাইলে বিভিন্নভাবে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুর রহমান শেখ এর সাথে বিনোদপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৌলভীকান্দি গ্রামের ফাতেমা বেগম ও রিয়াদ হাসান দুই ব্যক্তির দুই বছরের বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মাসাৎতের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকে বিষয়টি দেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে একটি প্রতিবেদন দিতে বলেছি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং অপরাধীকে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।
You must be logged in to post a comment.