আব্দুল বারেক ভূঁইয়া, শরীয়তপুর।
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সেনের চর ইউনিয়নে দক্ষিন সেনের চর গ্রামে মোঃ সুমন সিকদার ও আমির হোসেন মাদবরের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় ৪০টি বাড়ী ঘর ভাংচুর ও বৃদ্ধা এক নারীসহ ১১ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত ৬ই মে বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে জাজিরা থানার সাবেক আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মৃতঃ সিরাজুল ইসলাম সিকদারের ছেলে মোঃ সুমন সিকদার, কাজির হাট থেকে নিজ বাড়ীতে যাওয়ার সময় শিমুল তলা মোড় নামক স্থানে পূর্ব পরিকল্পিত উতপেতে থাকা আমির হোসেন মাদবর ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী সুমন সিকদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে মোটর সাইকেল চলন্ত অবস্থায় বাশেঁর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আঘাত করে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে থাকলে এমতাবস্থায় স্থানীয় ব্যাক্তিরা সুমন সিকদারকে ঘটনা স্থান থেকে উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আহত সুমন সিকদারের পরিবার সুমন সিকদারকে নিয়ে, ব্যস্ত থাকলে আমির হোসেন মাদবর, ইলিয়াস সিকদার, সেলিম সিকদার , সুরুজ সিকদার সহ ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে, সুমন সিকদারের বাড়ী ঘর-সহ ৩টি মোটর সাইকেল ও ৪০টি বাড়ী ঘর ভাংচুর করে, শুধু তাই নয় ৭০ বছরের বৃদ্ধ এক নারী সহ বাড়ীতে থাকা নিরহ নিরঅপরাধ ১০ জন ব্যাক্তিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে, এই সন্ত্রাসী হামলার সংবাদ পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনা স্থানে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। সন্ত্রাসী হামলায় আহত ব্যাক্তিরা হলেন মোঃ সুমন সিকদার (৪০), রাবিয়া বেগম (৭০), মোঃ মেহেদী হাসান (২৪), চুন্নু মাদবর (৩৫), আবুল সরদার (৩০), রমজান মাদবর (১৯), শহিদুল মাদবর (৫০), আরিফ সিকদার (২১), ইউ.পি সদস্য জাহাঙ্গীর সিকদার (৪৫), সুজন পোদ্দার (৩৫), কাইয়ুম মুন্সী (৬০)।
আহত রমজান ও রাবিয়া বেগমের অবস্থা আশংঙ্খাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে প্রেরন করা হয় ও অন্য আহত ব্যাক্তিদেরকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, আহত সুমন সিকদারের চাচা মজিবর সিকদার গণমাধ্যমকে জানান, বাড়ী ঘর ভাংচুর ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জাজিরা থানায় মামলা দায়েরে প্রস্ততি চলছে।
জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজহারুল ইসলাম, এর সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, সেনের চর ইউনিয়নে আমির হোসেন মাদবর ও মোঃ সুমন সিকদারের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়ী ঘর ভাংচুর ও মার পিটের ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থানে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং হামলাকারীদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
You must be logged in to post a comment.