ইউপি নির্বাচন ঘিরে শরীয়তপুর সদর রুদ্রকর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রর্থী সিরাজুল ইসলাম ঢালী ও সতন্ত্র প্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান ঢালী, দুই সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা ও আওয়ামী পার্টি অফিস সহ- নির্বাচনী ক্লাব ভাংচুর।
৫ নভেম্বর শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সুবচনী বাজারে সহিংসতা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনায় চেয়ারম্যন প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ঢালী সহ- দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ১৫ ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে।
৬ নভেম্বর শনিবার বেলা ১১টায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান ঢালী সহিংসতা, ক্লাব ভাংচুর সর্মথকদের উপরে হামলা, নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা নানা অপপ্রচার সহ- বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে নিজ বাড়ীতে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুর রহমান ঢালী সাংবদিকদের বলেন, আমি শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও রুদ্রকর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। রাজনৈতিক কোলাহলের কারণে হয়তো বা দলিয় মনোনয়ন পাইনি। রুদ্রকর ইউনিয়নে আমার যথেষ্ঠ জনসমর্থন রয়েছে। আমি জনগণের মত প্রকাশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি।
আমার প্রতিদন্দ্বি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ঢালী ও তার সমর্থকরা বহিরাগত লোকজন নিয়ে গতকাল রাত ১০টার দিকে সুবচনী বাজারে অমার নির্বাচনী ক্লাব ভাংচুর, সমর্থকদের উপরে অতর্কিত হামলা এবং আমার লোকদের কে পিটিয়ে কুঁপিয়ে, গুলিকরে আহত করেছে, সিরাজ ঢালী ও তার সমর্থকরা। নিজেরাই রুদ্রকর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুর করে আমাকে মামলায় জরিয়ে নির্বাচন থেকে সরানোর চেষ্টা করছে। আমি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে রিশ্বাসী না, আমি জনগণের ভোটে বিশ্বাসী। তাই আমী আশাবাদী যে ১১ নভেম্বর নির্বাচনে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হাবিবুর ঢালীর ছোট ভাই হাবিবুর রহমান ঢালী জানান উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় লিখিত অভিযোগ ও থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আকতার হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী মোঃ সিরাজুল ইসলাম ঢালী ছোট ভাই রুহুল আমীন ঢালী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
You must be logged in to post a comment.