আজও গ্রেফতার হয়নি শরীয়তপুর পৌর বাসস্টান্ড সংলগ্ন মেসার্স আলী উজ্জামান মীর মালত এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার, গৃহ পরিচারিকা ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী মোঃ রাশেদ মীর মালত। ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে গত ২৪ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০৩/৯-১ ধারায় মোঃ রাশেদ মীর মালত এর বিরুদ্ধে পালং মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-৩৩/ তাং-২৪/১০/২০২০ খ্রিঃ। পালং মডেল থানার পুলিশ বলছেন, আসামী রাশেদ মালতকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। “কিন্তু মামলার বাদী বলছেন ভিন্ন কথা” আসামী রাশেদ মালত শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছেন না, শুধু তাই নয় রাশেদ মালত এর বিরুদ্ধে মামলা হাওয়ার পর থেকে রাশেদ এর সহোচর গণ ভিক্টিমকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভিতি ও অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে মামলা উত্তোলন ও আপোষ মিমাংশা প্রস্তাব করছে। এই নিয়ে জনমনে জেগে ওঠেছে নানা প্রশ্ন।
গৃহ পরিচারিকা গণমাধ্যমকে জানান, আমার স্বামী ও সন্তান-সন্ততি নিয়ে শরীয়তপুর উত্তর পালং মডেল টাউন এলাকায় একটি বাড়ীতে ভাড়া থাকতাম, একই বাড়ীতে নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের ঠাঁকুর কান্দী গ্রামের মোঃ মোতালেব মালতের ছেলে রাশেদ মীর মালত ভাড়া থাকত । আমি স্বামীর সংসারের অর্থের যোগান দিতে মেসার্স আলীউজ্জামান মালত এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার রাশেদ মীর মালত ও মালিক মোঃ সজিব মালতকে এক হাজার পাঁচশত টাকা মজুরীর বিনিময়ে রান্না করে খাওয়াতাম। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টার দিকে রাশেদ মালত ভাত খাওয়ার কথা বলে আমার রুমে ঢুকে আমাকে জড়িয়ে ধরে দীর্ঘ সময়ে ধ্বস্তাধ্বস্তি ও জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে, আমি মান সম্মানের দিক চিন্তা করে বিষয়টি কারও কাছে প্রকাশ করিনি। এই ঘটনার পরে আমি বাসা পরিবর্তন করে অন্যত্র চলে যাই। এর পর থেকে রাশেদ মালত আমার মোবাইল ফোনে ফোন দিয়ে আমাকে উত্যক্ত করে।
মেসার্স মালত এন্টারপ্রাইজের মালামাল সরবরাহকারী নসিমন চালক মোঃ বশির বেপারীর, মোবাইল ফোন থেকে আমার ফোনে, ফোন দিয়ে রাশেদ মালত আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয় ভিতি দেখায়। এক পর্যায় মেসার্স মালত এন্টারপ্রাইজ এর মালামাল সরবরাহকারী মোঃ বশির বেপারী ধর্ষনের ঘটনার বিষয়টি জেনে যায় এবং আমার স্বামীর কাছে বলে দেয়, আমার স্বামী আমার উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর করে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়। আমি এখন নিরুপায়, বাবার বাড়ীতেও আমার কোন স্থান নেই। ধর্ষক রাশেদ মালত এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে গত ২৫ অক্টোবর রবিবার পালং মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছি। আমি ধর্ষক রাশেদ মালত এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পালং মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ আমিনুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি ছুটিতে আছি, আসামী রাশেদ মালতকে গ্রেপতারের চেষ্টা চলছে।
You must be logged in to post a comment.