আব্দুল বারেক ভূঁইয়া শরীয়তপুর।।
শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলায় সখিপুর ডি.এম খালি চর ভয়েরা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনী পড়–য়া আনু আক্তার (১৪) নামে এক স্কুল ছাত্রীকে লাথি মেরে আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই বেদনা দায়ক ঘটনাটি ঘটিয়েছে ডি.এম খালি বাজারের মাদবর ইলেকট্রনিক্স দোকানের মালিক মোঃ শফিকুল ইসলাম কালন (২৭) নামে এক বদমেজাজি। আহত স্কুল ছাত্রী ও তার বোন সানু আক্তার জানান, গত ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার আমাদের বাড়ির ব্যবহারকৃত মোবাইল ফোনটি মেরামত করার জন্য ডি.এম খালি বাজারের মাদবর ইলেকট্রনিক্স দোকানের মালিক মোঃ শফিকুল ইসলাম কালন এর কাছে মেরামত করার জন্য দিয়েছিলাম।
১৯ অক্টোবর সকাল ৯.০০ টার দিকে ঐ মোবাইল ফোনটি আনার জন্য মাদবর ইলেকট্রনিক্সে গিয়েছিলাম। মাদবর ইলেকট্রনিক্সের মালিক সঠিক ভাবে মোবাইল ফোনটি মেরামত না করে আমাদের সাথে উচ্চ বাক্য করেন এবং আমার বোন আনু আক্তারকে লাথি মেরে রাস্তায় ফেলে দেয়। আমার বোন আনু আক্তার পরে গিয়ে পায়ে প্রচন্ড আঘাত লাগে এবং ঘটনাস্থলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই বদমেজাজি মোবাইল দোকানদারের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
চর ভয়েরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম এর কাছে স্কুল ছাত্রীকে লাথি মেরে আহত করার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী আনু আক্তার কে ডি.এম খালি বাজারের এক মোবাইল দোকানদার লাথি মেরেছে শুনে আমি ঘটনাস্থানে গিয়েছি এবং চিকিৎসার জন্য ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ডি.এম খালি পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জসিম মাদবরের কাছে স্কুল ছাত্রীকে লাথি মারার ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্কুল ছাত্রী অভিভাবক ও অভিযুক্ত মোবাইল দোকানের মালিক শফিকুল ইসলাম কালন এর অভিভাবকদের সাথে আমার কথা হয়েছে।
স্থানীয়ভাবে বিষয়টিকে আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা চলছে। মাদবর ইলেকট্রনিক্স দোকানের মালিক মোঃ শফিকুল ইসলাম কালন এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে সম্মত্তি জ্ঞাপন করেনি।
You must be logged in to post a comment.