আব্দুল বারেক ভূঁইয়া, শরীয়তপুর।।
শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার ফকির মোহাম্মদ আকন কান্দি গ্রামের অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য ও জাজিরা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সহকারী কমান্ডার আঃ রহমান আকনের ঘর-বাড়ি ভাংচুর করেছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা।
৬ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। মুক্তিযোদ্ধা আঃ রহমান আকন জানান, ১৯৭১ সালে নিপীড়নের শিকার হয়েছিলাম পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর হাতে জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য যুদ্ধ করে স্বাধীন দেশে নিপীড়নের শিকার হচ্ছি, অপরাজনৈতিকবিদ জুলুমবাজদের হাতে, ১৯৮৮ সালে হক কবিরাজ তার লাঠিয়াল বাহিনীদেরকে নিয়ে আমার নিজ বাড়িতে এসে আমার পিতা মরহুম হাবিব আকনকে হত্যা করেছে, পরে আবার আমাকে অনুনয় বিনয় করে আমার সাথে আপোষ মিমাংশা হয়েছে। ২০১৪ সালে হক কবিরাজ স্থানীয় পালিত সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে নিয়ে আমার পা ভেঙ্গে দিয়েছে। বর্তমানে আমি পঙ্গুক্ত অবস্থায় জীবন যাপন করছি।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালতে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। যাহার জি.আর নং ৫২/২০১৪। গত ৬ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে আমাকে হত্যার করার উদ্দেশ্যে মোঃ মজিবর আকন, মিরাজ আকন, হানিফ আকন, সাইদুল আকন, আজিজুল আকন, নাসির ঢালী, ইনসান ঢালী, ইমরান আকন, জয়নাল আকন, বিল্লাল খান গং ব্যাক্তিরা আমার ঘর-বাড়ি ভাংচুর করেছে এবং লক্ষাধিক টাকার উপরে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ করেছে।
শুধু তাই নয় আমাকে এবং আমার ছেলে রানা আকনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমার ঘর-বাড়ী ভাংচুরের ঘটনার বিচারের দাবিতে ব্যাক্তি মাধ্যম থানায় মামলা করতে গেলে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন বিভিন্ন প্রকার তালবাহানা করছে। আমি একজন দেশ-প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সেনা সদস্য হিসেবে প্রশাসনের কাছে আমার দাবি স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে আইনের আওতায় এনে, আমি এবং আমার পরিবারকে জুলুম নিপীড়ন ও বার বার সন্ত্রাসী হামলার ছোবল থেকে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেনের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আঃ রহমান আকন অথবা তার কোন লোকজন থানায় মামলা করতে আসেনি।
You must be logged in to post a comment.