স্থানীয় সরকারের বিধান অনুযায়ী ও নির্বাচন কমিশনের ঘোষনা মোতাবেক ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামীলীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন দল থেকে প্রায় এক ডজন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও অর্ধ শতাধিক কাউন্সিলর প্রার্থীরা করোনার এ পরিস্থিতিতেও ঘরে বসে নেই।
তাঁরা নিজ দলীয় উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগের পাশাপাশি ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, দোয়া মাহফিল ও নানা সামাজিক কর্মকান্ডে হাজির হয়ে নিজেদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন। প্রতিদিন তাঁদের ব্যাক্তিগত অফিসে দেখা যায় নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড়। প্রার্থীদের এমন তৎপরতায় সরগরম হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। এদিকে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনীতিক টেবিল পর্যন্ত প্রার্থীদের নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আওয়ামীলীগ থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী -পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারী, সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র বেলাল আহম্মেদ, সহ-সভাপতি মোঃ আকবর হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দেওয়ান বাচ্ছু, সাবেক ছাত্র ও যুব নেতা নুরুল আলম ও পৌরসভা যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সেলিম।
বিএনপি থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী- পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব ও বার বার কারা নির্যাতিত নেতা আলমগীর হোসেন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এড. তোফাজ্জল হোসেন বাচ্ছু, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রোমান হোসেন পাটোয়ারী।
জাতীয়পাটি থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী- পৌরসভা জাতীয় পাটির সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ মহসিন।
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দলের থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী- পৌর শাখার সহ সভাপতি জাকির হোসেন।
আওয়ামীলীগ থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী বেলাল আহম্মেদ বলেন,আমি ২০১১-১৫ পৌরসভার মেয়র ছিলাম,তখন সবার সহযোগিতায় এলাকার উন্নয়ন. সুশাসন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিত করতে সর্বাত্বক চেষ্টা করেছি।তাতে সফল হয়েছি মনে করে দল ও দলের বাহিরে জনগন ব্যাপক সাঁড়া পেয়ে এবারও প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। আমার আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে এ বছর দল আমাকে মনোনয়ন দিবে। মনোনয়ন পেলে ইনশাআল্লাহ বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত এবং উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও সুশাসন নিশ্চিত করে একটি সুন্দর পৌরসভা উপহার দিব।
বিএনপি থেকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী- পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন বলেন, বিএনপি’র এ দূর্দিনে-দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সকল নির্যাতন নিপীড়ন সহ্যকরে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচনকালিন সকল সমস্যায় নেতাকর্মীদের পাশে থাকবো। ইনশাআল্লাহ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করবো।
আওয়ামীলীগ থেকে অপর সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ আকবর হোসেন বলেন, আমি ১৯৮৯ সালে রামগঞ্জ সরকরী কলেজের মনোনীত ভিপি, ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক, ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক ছিলাম। বর্তমানে পৌর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। ছাত্রজীবন থেকে দলের প্রতি অনুগত্য ও ভালোবাসা রেখে একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।
২০১১ ও ২০১৫সালের নির্বাচনে দুই বার মেয়র প্রার্থী ছিলাম, তখন দলীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি। এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তৃর্নমুলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করবে। এতে আমার বিশ্বাস আমি মনোনয়ন পাব।
You must be logged in to post a comment.