লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার সোনাপুর এলাকার সেলিম আটিয়া বাড়ির নির্মাণ শ্রমিক রিয়াদ হোসেন দুর্বৃত্তদের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১দিন পর ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে মারা যান।
নিহত রিয়াদ হোসেন সোনাপুর আটিয়া বাড়ির মৃত কলিম উল্যার ছেলে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় দুই জনকে আটক করেন।
স্থানীয়সূত্র জানায়, ৩১শে জুলাই শনিবার রাত ১১ টায় একই বাড়ির হৃদয়, পাবেল রিয়াদকে ঘুম থেকে ডেকে বাহিরে নিয়ে যায়। ওই দিনে রিয়াদের কাছে ৮হাজার ৮ শত টাকা পকেটে ছিল। রাতে দুর্বৃত্তরা কৌশলে একই বাড়ির মৃত আমিনুর রহমানের নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে তাকে মুখে,ঘাড়ে,পিঠে, মেরুদণ্ড মারাত্মক আঘাত করে অচেতন অবস্থা বসতঘরের সামনে ফেলে যান।
ওই সময়ে গুরুতর আহত রিয়াদকে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করালে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করেন। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১দিন পর রিয়াদ সোমবার বিকেলে মারা যান।
সৃষ্ট ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে রামগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ বিকেলে এজাহারভুক্ত আসামী পাবেল হোসেন, হৃদয় হোসেনের মা কাজল বেগমকে আটক করেন।
জানা যায়, রিয়াদের মা মানসিক বিকারগ্রস্থ। মামলার বাদী সাদ্দাম হোসেন জানান, তার ভাইকে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, এজাহারভুক্ত আসামীদের ধৃত করে কোর্টে শোপর্দ করেছি।
You must be logged in to post a comment.