রাজবাড়ীর পাংশায় ছোট ভাইয়ের আঘাত সহ্য করতে না পেরে মুরছানি মন্ডল (৬) নামে এক শিশুকে হত্যা করেছে শাকিল আহম্মেদ রনি।
রনি পাংশা উপজেলার সাজুরিয়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। খুনের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে শাকিল আহম্মেদ রনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত মুরছানির মরদেহ গুম করার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে হাবিবুর রহমান (৬২) নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পাংশা মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে (রবিবার) সকালে মুরছানি আসামি রনির বাড়িতে আরিয়ানের সাথে খেলা করে। খেলার এক পর্যায়ে মুরছানি আরিয়ানকে চড় মারে। ভাইয়ের চড় মারা দেখে আসামি শাকিল মুরছানিকে সজোরে চড় মারে। এতে মুরছানি পাশে থাকা দেওয়ালের সাথে আঘাত লেগে জ্ঞান হারিয়ে মারা যায়। সেখান থেকে একটি সাদা রঙের বস্তায় নিহত মুরছানিকে ঢুকিয়ে রাখে শাকিল আহম্মেদ রনি। পরে সাদা রঙের বস্তাটি বালতির মধ্যে করে দাদার টয়লেটের পাশে রেখে আসে রনি। তিনদিন পর রনির দাদী কাঞ্চন মালা টয়লেটের কাছে গেলে দুর্গন্ধ পায়। বিষয়টি তার স্বামী হাবিবুর রহমানকে জানায়। হাবিবুর রহমান নিহতের বস্তাবন্দী লাশ তার বাড়ির উত্তরপাশে বছিরের পাটক্ষেতে ফেলে আসে। এ ঘটনায় আসামি রনি এবং তার দাদাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হত্যার দায় স্বীকার করে অনুতপ্ত হয়ে আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছেন।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান আজ শনিবার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, শুক্রবার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা স্বেচ্ছায় আদালতে স্বীরারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। পাংশা থানার উপ-পরিদর্শক জুয়েল রানা মামলাটির তদন্ত করছেন।
নিহত মুরছালিনের লাশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলার রহস্য উৎঘাটন করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।
You must be logged in to post a comment.