শরীয়তপুর সদর পৌরসভার উন্নয়নের রুপকার মাদক, সন্ত্রাস ও জুলুমবাজদের আতঙ্ক, জনমানুষের আস্থার ভাজন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, উপ-কমিটির সাবেক সাধারণ সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ পৌর-মেয়র এসোসিয়েশন (ম্যাব) এর সাধারণ সম্পাদক।
মোঃ রফিকুল ইসলাম কোতোয়ালকে দ্বিতীয় বার শরীয়তপুর সদর পৌরসভার মেয়র পদে বহাল রাখতে প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছে শান্তিগামী জনতা।
শরীয়তপুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড, গ্রাম-মহল্লা ও হাট-বাজার ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও জুলুমবাজদের হাত থেকে পৌর-বাসীকে রক্ষা করতে ও উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে পৌর-মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল এর বিকল্প নেই।
আমরা বিগত দিনে দেখেছি, পৌর শহরবাসী শান্তিতে ব্যবসা বানিজ্য ও বসবাস করতে পারেনি, দেখেছি শুধু মারামারি হানা-হানি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল পৌর-মেয়র হওয়ার পর থেকে শরীয়তপুরের কৃষক-শ্রমিক, দিন মজুর, ব্যবসায়ী ও চাকুরীজীবী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। তাই আমরা রফিকুল ইসলাম কোতোয়ালকে দ্বিতীয় বারের মত মেয়র পদে বহাল রাখতে প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছি।
আমরা আশাবাদি যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রফিকুল ইসলাম কোতোয়ালকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলিয় মনোনয়ন ও নৌকা প্রতিক দিয়ে শরীয়তপুর পৌর-সভার শান্তিগামী মানুষের আসা পূরণ করবেন।
একান্ত এক স্বাক্ষাৎকারে পৌর-মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল বলেন, আমি শরীয়তপুর পৌরসভার রাস্তা ঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট সহ পৌর-বাসীর জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সার্বিক সহযোগীতায় ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি। আমি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি করেছি। আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপ-কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্দিনে দলের পাশে থেকে কাছ করেছি।
তাই আমি আসাবাদী যে, শরীয়তপুর পৌরসভার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে, মাদক, সন্ত্রাস ও জুলুমবাজদের হাত থেকে পৌর-বাসীকে রক্ষা করতে আগামী দিনে আমার দল আমাকে মনোনয়ন দিবেন এবং আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দল, মত নির্বিশেষে পৌর-বাসীর সেবক হয়ে আগামী দিনে কাজ করে যাব।
You must be logged in to post a comment.