ব্যালে নাচে’র মাধ্যমেই নেট দুনিয়ায় ভাইরাল নওগাঁর মেয়ে ইরা

নওগাঁ প্রতিনিধি
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২, ৭:৩৭ অপরাহ্ন

সম্পতি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল নওগাঁর মেয়ে ইরা। কে এই ইরা। ফ্রি-ল্যান্সার জয়িতার ক্যামেরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাষ্কর্যের সামনে শুন্যে ভাসছে নওগাঁর মেয়ে ইরা। তার শুন্যে ভাসার বেশকিছু ছবি মহূর্তের মধ্যেই নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়।

এই ছবির মডেল নৃত্য শিল্পী ইরা। জীম, স্কেটিং, টেনিস ও ক্রিকেটে সমান পারদর্শী ইরা মূলত-ইতালির ব্যালে নাচের জন্যই পরিচিতি পাচ্ছে নেট দুনিয়ায়। মফঃস্বল শহরের মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে পড়ালেখা ও অনুশীলন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে সাফল্য এনেছে একের পর এক ইরা।

হাঁ বর্তমানে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল সেই ইরা’র কথাই বলা হচ্ছে। নওগাঁর মেয়ে ‘মুবাশশীরা কামাল ইরা। ইরার জন্মস্থান নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন বটতলী এলাকায়। সেখানেই পড়ালেখা-অনুশীলন ও বেড়ে উঠা। ইরার বাবার নাম আবু হায়াৎ মোহাম্মদ কামাল এবং মায়ের নাম ফাহমিদা কামাল। ইরা নওগাঁ সীমান্ত পাবলিক স্কুল থেকে এসএসসিতে পেয়েছে জিপিএ-৫। এখন দ্বাদশ শ্রেনিতে পড়ছে নওগাঁ সরকারী কলেজে।

ইরা’রা চার বোনের মধ্যে ইরা তৃতীয়। বড় দুই বোন এবং ছোট বোন আলাদা প্রতিভার অধিকারী।

মুবাশশীরা কামাল ইরার ভাষায় এটি একটি ইতালীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের ধরন যা করুণা এবং নির্ভুলতার দাবি করে, আন্দোলনের মাধ্যমে অভিব্যক্তি তৈরি করার জন্য জটিল, প্রবাহিত নিদর্শনগুলিতে সেট করা আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ এবং অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করে। নাচের এই ধরনকে বলে ব্যালে। ব্যালে-জিমন্যাস্টিক মিলিয়ে পারফর্ম করে ইরা।

মুবাশশীরা কামাল ইরা জানায়, নাচ আমার পছন্দের একটি অনুশীলন। ২০১৭ সালে ইউটিউব দেখে বাসাতেই এই ব্যালে নাচ শুরু করি। প্রথম দিকে অনেক কঠিন মনে হলেও এখন সবগুলো স্টেপ প্রায় আয়ত্ব হয়ে গেছে। নাচ নিয়ে দেশে এবং দেশের বাইরে পড়াশুনা করার ইচ্ছে আছে। দেশীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি এই ব্যালে নাচ নিয়ে নতুন কিছু করার ইচ্ছা আছে। এই নাচের জন্য আমি অনেক কষ্ট করেছি এবং করে যাচ্ছি। তবে নাচের মধ্য দিয়ে আমি অনেক কিছু করতে চাই।

ইরা’র মা ফাহমিদা কামাল বলেন, মেয়ের নাচের প্রথম হাতে খড়ি নওগাঁ জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিক্ষক সুলতান মাহমুদের কাছে। এরপর ঢাকায় ভরতনাট্যমে নাচ শিখেছে। ২০২১ সাল থেকে ঢাকার সাধনার সাথে কাজ করছে ইরা। প্রথম দিকে পরিবারের সহযোগীতা তেমন একটা না থাকলেও এখন সকলেই নাচের বিষয়ে সহযোগীতা করছে।

আবু হায়াৎ মোহম্মদ কামাল বলেন, আমি চাই ইরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নাচে ভালো পারফর্ম করে দেশের সুনাম অর্জনের পাশাপাশি ভালো লেখাপড়া করে ভবিষ্যতে সে বিসিএস ক্যাডার হোক।

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ