বরগুনা প্রতিনিধি ।।
বরগুনার আমতলী থানায় ওসির কক্ষ থেকে হত্যা মামলার সন্দেহভাজন এক আসামির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ওসি তদন্ত মনোরঞ্জন মিস্ত্রীর কক্ষের সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। যদিও পুলিশের দাবি, আটক সানু হাওলাদার আত্মহত্যা করেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই কক্ষে রাখা হয়েছিল।
এ ঘটনায় আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রী ও ডিউটি অফিসার এএসআই আরিফকে দায়িত্ব অবহেলার কারণে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন। এছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, ‘সানু হাওলাদারকে ২৫ মার্চ আটকের পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওসি তদন্ত মনোরঞ্জনের রুমে রাখা হয়। রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে কিছু তথ্য পাওয়া যায়।’ ‘বৃহস্পতিবার সকালে থানার সেন্ট্রি ৫টা ৫৬ মিনিটে বাথরুমে নিয়ে যায় তাকে। এরপর ফিরে এসে সানু দরজা বন্ধ করে দেয়। ৬টা ১০ মিনিটে তার দরজা বন্ধ দেখে ধাক্কাধাক্কি করে খুলে সানু হাওলাদারের ঝুলন্ত লাশ দেখা যায়।’
নিহত সানু হাওলাদার আমতলীর কলাগাছিয়ার হযরত আলী হাওলাদারের ছেলে। কিছুদিন পূর্বে ইবরাহীম নামের এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করা হয় ধানক্ষেত থেকে। ওই মামলায় এজাহারভুক্ত কোনো আসামি না থাকলেও পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে সানু হাওলাদারকে।
You must be logged in to post a comment.