পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে খোলা আকাশের নিচে বরাবরের মতো দেশটির অন্যতম বড় ঈদুল ফিতর নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকার মারতিম মুনিজ ঈদগাহ ময়দানে প্রবাসী বাংলাদেশীসহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম কমিউনিটির ব্যক্তিরা দলে দলে জড়ো হতে শুরু করেন এবং নির্ধারিত সকাল ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামাতে সাড়ে চার হাজারের বেশি মুসল্লী একসাথে নামাজ আদায় করেছেন।
ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দে উৎফুল্ল এক প্রবাসী বাংলাদেশী প্রতিবেদককে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে, কিছুক্ষণের জন্য মনেই হয়নি যে আমি বাংলাদেশ থেকে এত দূরে অবস্থান করছি খোলা আকাশ এর নিচে সহস্ত্র মানুষের সাথে একসাথে ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরেছি তা খুবই সৌভাগ্যের বিষয়।
আরও পড়ুন : চুপিসারে ইউক্রেনে এসেছিলেন রুশ সেনাপ্রধান ভেলারি!
জামাত শুরুর পূর্বে মাতৃভাষা বাংলায় মার্তিম মুনিজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আলাউদ্দিন ও বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার জামে মসজিদ এর খতিব অধ্যাপক আবু সাঈদ রমজানের পুরস্কার এবং ঈদের তাৎপর্য সকলের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন।
জামাত ছাড়াও লিসবন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৭টা ও সকাল ৯টায় দুটি ,কাসকাইসে সকাল ৮ টায়, অধিভেলাস সেকেন্ডারি স্কুল মাঠে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে ইদ-উল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
তাছাড়া রাজধানীর বাইরে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পর্তোতে হযরত হামজা (রা.) মসজিদে সকাল ৮টা এবং সকাল ৯টায় দুটি , পর্তো কেন্দ্রীয় হযরত বেলাল (র.) মসজিদে সকাল ৬টা ৫০ এবং সকাল ৮টায় দুইটি জামাতসহ ফারু, আলগারভ, মিল ফন্টেস , কুইমরা , মাদেইরা এবং আছোরেসে সহ বিভিন্ন স্থানে ঈদউল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঈদ জামাতের বাংলায় আম বয়ান ঈদগাহ ময়দান এবং চারপাশকে প্রকম্পিত করে রেখেছিল এবং হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশীদের মুখ হঠাৎ করে যেন মনে হয়েছে এটি একটি ছোট্ট বাংলাদেশ। উল্লেখ্য যে গত ১২ বছর যাবত উক্ত স্থানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের জামাত আদায় হয়ে আসছে।
You must be logged in to post a comment.