প্রদীপ কুমার দেবনাথ, ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া)।।
‘দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন ‘ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখেই সারাদেশে আজ উদযাপিত হচ্ছে হিন্দু ধর্মীয় দ্বিতীয় বৃহত্তম পূজা।
প্রকৃতপক্ষে এর নাম কালীপূজো হলেও কেউ শ্যামাপূজা, ভবতারিণী, আনন্দময়ী, ব্রহ্মময়ী, বিপদনাশিনী সহ অসংখ্য নামে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দীপান্বিতা কালীপূজা অত্যন্ত জনপ্রিয়। দ্বিতীয় প্রধান বৃহৎ উৎসব হিসেবে এটি হিন্দুসমাজে স্বীকৃত।
গতরাতে নাসিরনগর, নাসিরপুর, ফান্দাউক, গোকর্ণ, সিংহগ্রাম, চাতলপাড়, ভলাকূট, কুন্ডা সহ প্রায় প্রত্যেক ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায় মহা ধুমধামের সহিত আলোকসজ্জা ও আতশবাজির ঝলকানির মধ্য দিয়ে অত্যন্ত উৎসবমূখর পরিবেশে এ দিনটি উদযাপন করে। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দীন আহমেদকে তার সংগীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাবু কাজল জ্যোতি দত্ত, পূজা উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি বাবু শ্রীবাস চন্দ্র দাশ, উপজেলা যুবলীগের নেতা ও সদর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান, অনাথবন্ধু দাস সহ আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় নাছিরপুর বাজারে অবস্থিত সর্বজনীন শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাবু অরুণ জ্যোতি ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ রাফিউদ্দীন আহমেদ বলেন, নাসিরনগরের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। সকলে মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই আমাদের লক্ষ্য।
পরে তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান ও মন্দির উন্নয়নের স্বার্থে ১০০০০(দশ হাজার) টাকা অনুদান ঘোষণা করেন।
You must be logged in to post a comment.