এম.এ হাসান, ধামরাই, ঢাকা।।
ঢাকার ধামরাইয়ে বংশী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় পুলিশের গাড়িচালক ফরিদ আলমকে খুন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে আটক নিহত ফরিদের চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার ওসি (তদন্ত) কামাল হোসেন ।
আটক সাইফুল ইসলামের বরাত দিয়ে ওসি জানান, ফরিদ আলম হত্যাকান্ডে প্রায় ১৫ জন জড়িত রযেছে। তাদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অভ্যাহত রয়েছে।
ধামরাইয়ের সুইজখালী গ্রামের শাজাহান মিয়ার ছেলে ফরিদ আলম ধামরাই থানা পুলিশের রিকুইজিশন করা মাইক্রোবাসের চালক ছিলো। ধামরাই থানার এস আই প্রমোজ চোধুরী ঐ মাইক্রোবাসে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবিসহ অন্য অপরাধীদের আটক করতেন। চালক ফরিদের মাধ্যমে দেনদরবারের মাধ্যমে আবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো।এ ছাড়া ফরিদ হত্যাকান্ডে যারা জড়িত তাদের সঙ্গে ফরিদের দ্বন্দ্বও ছিলো।ফরিদ থানা পুলিশের গাড়ি চালক হওয়ার পর তার নিজ গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের কয়েকজন আটক করেনে এস আই প্রমোজ চোধুরী।
এর মধ্যে সাইফুল ইসলাম, শাজাহানসহ আরো কয়েকজনকেও আটক করা হয়। এরপর থানায় এনে তাদের শারিরিক র্নিযাতন ও করা হয়। আবার তাদের ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য মধ্যস্ততাকারী হিসেবে ফরিদের ভূমিকা ছিলো। এসব কারনে ফরিদকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে। এস আই প্রমোজ চোধুরী গত ১ আগস্ট থেকে টাঙ্গাইলের মহেড়ায় প্রশিক্ষণে আছেন। এ সুযোগে গত ২৯ আগস্ট রাতে ধামরাই থানা থেকে মটরসাইকেলে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে বাড়ির পাশেই ফরিদের হাত পা বেধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে তার চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলামসহ ১৪/১৫ জন। হত্যাকান্ডের ৯ দিন পর গত বৃহস্পতিবার রাতে সাইফুল ইসলামকে পুলিশ সুইজখালি থেকে গ্রেফতার করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে, ফরিদ আলম একসময় এলাকায় ডাকাতি, মটরসাইকেল ছিনতাই ও অস্ত্রব্যবসার সাথে জড়িত ছিলো।তার নামে থানায় বিভিন্ন মামলা ছিলো।
You must be logged in to post a comment.