আব্দুল বারেক ভূঁইয়া শরীয়তপুর ।।
বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ মা ইলিশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রশাসন ও পালং মডেল থানা পুলিশ।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার অর্ন্তগত ইলিশ শিকারের উপর্যুক্ত কোন স্থান না থাকলেও শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দিয়ে পাচার হয়ে যায় আমাদের জাতীয় সম্পদ মা ইলিশ। ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শুরু হলে যেন বেড়ে যায় মৌসুমী মাছ ব্যবসায়ী ক্রেতা ও ইলিশ পাচারকারী। পাচারকারীদের কে ঠেকাতে পালং মডেল থানা পুলিশের একটি দল বিভিন্ন সড়কে চেক পোষ্ট বসিয়ে প্রতিনিয়ত মাছসহ আটক করছে মৌসুমী মাছ ব্যবসায়ী ক্রেতা ও ইলিশ পাচারকারী ব্যক্তিদেরকে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন সড়কে চেক পোষ্ট বসিয়ে প্রায় ৩০ মন ইলিশসহ একশত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃত ৪০ ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বৃদ্ধা মহিলা ও স্বল্প বয়সী ৬০ ব্যক্তিকে জরিমানা ও মুসলেখা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিদের সাজা ও জরিমানা আদেশ প্রদান করেছেন শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান শেখ এবং জব্দকৃত ইলিশ মাছ শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসা লিল্লাহ্বডিং এ বিতরণ করা হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান শেখ এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ মা ইলিশ রক্ষার স্বার্থে শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২৪ ঘন্টা অভিযান চলমান রয়েছে।
আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চলমান থাকবে। আমি সকল শ্রেণী–পেশা মানুষের কাছে দেশের জাতীয় সম্পদ মা ইলিশ রক্ষার স্বার্থে সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছি।
You must be logged in to post a comment.