আব্দুল বারেক ভূঁইয়া, শরীয়তপুর ।।
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মুলনা ইউনিয়নে সাব্বিস পাড়া গ্রামে, গ্রামীন মাটির রাস্তা টেকসই করণ হেরিং বোন বন্ড এইচ.বি.বি প্রকল্পে, নিম্ন মানের ইটা দিয়ে চলছে রাস্তা নির্মানের কাজ। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে, দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকার এইচ. বি.বি প্রকল্পের অধীনে ১৪০০ মিটার ইটের রাস্তা নির্মান কাজের জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন ৭২,০০,০০০/- (বাহাত্তর লক্ষ) টাকা।
জাজিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের অধীনে গত ২৪ অক্টোবর ২০১৯ টেন্ডার ড্রফিংয়ের মাধ্যমে এই রাস্তাটি নির্মান কাজের দায়িত্ব পেয়েছেন জাজিরা উপজেলা, মেসার্স সিকদার এন্টারপ্রাইজ। সিকদার এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ দেলোয়ার সিকদারের কাছে রাস্তা নির্মান কাজে নিম্ন মানের ইটা ও বালুর পরিমান কম দেওয়ার বিষয়টি মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঐ রাস্তা নির্মান কাজ করছি না, ঐ রাস্তা নির্মান কাজ করছেন মুলনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল আমিন হাওলাদার।
চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হাওলাদারের কাছে রাস্তা নির্মান কাজে, নিম্ন মানের ইটা ও বালুর পরিমান কম দেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে নুরুল আমিন হাওলাদার বিষয়টিকে এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সরজমিন ঘুরে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হাওলাদারের মাধ্যমে এই রাস্তা নির্মান কাজ চলছে। কিন্তু চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হাওলাদার জন প্রতিনিধি হয়ে দেশ ও জনগণের কথা চিন্তা না করে অধিক মুনাফা অর্জনের উদ্যেশ্যে খারাপ মানের ইটা ও বালুর পরিমান কম দিয়ে করছেন রাস্তা নির্মান কাজ। শুধু তাই নয়, বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে করছে কলঙ্কিত । আমরা এই অনিয়মের তীব্র নিন্দা জানাই।
জাজিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ স্বপন মাতুব্বরের সাথে এইচ.বি.বি প্রকল্পে রাস্তা নির্মান কাজে নিম্ন মানের ইটা ও বালু ব্যবহারের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন নিম্ন মানের ইটা ব্যবহার করে রাস্তা নির্মান কাজ করার কোন সুযোগ নেই। যদি কোন ঠিকাদার নিম্ন মানের ইটা ও বালুর পরিমান কম দিয়ে রাস্তা নির্মান কাজ করে থাকেন, অবশ্যই ঐ রাস্তা থেকে খারাপ মানের ইটা সরিয়ে ভাল মানের ইটা ব্যবহার করতে হবে।
You must be logged in to post a comment.