ফয়সাল হাবিব সানি (স্টাফ রিপোর্টার)।।
তীব্র শৈত্য প্রবাহ আর রিমঝিম বৃষ্টিতে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে গোপালগঞ্জের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত একনাগাড়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির দরুণ এখানে শীতের তীব্রতা বেড়েছে আরও দ্বিগুণ। এমতাবস্থায়, জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি।
ঘন কুয়াশা, প্রবল শীত আর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি যেন গোপালগঞ্জের গরিব খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য হয়ে উঠেছে অভিশাপস্বরূপ। হঠাৎ করে তাপমাত্রার তারতম্যজনিত কারণে জেলার অনেককে অসুস্থ হয়ে পড়ার খবরও জানতে পারা গেছে। ঠাণ্ডা, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্টজনিত কারণে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালগুলোতেও লেগেছে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভীড়। মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়েও যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। আরও ২-৩ দিন ধরে গোপালগঞ্জবাসীকে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে জানিয়েছেন জেলা আবহাওয়া অফিস।
এদিকে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অন্যদৃষ্টি ডট কমকে বলেন, `অবস্থা বিবেচনা করে ইতোমধ্যেই জেলার ৫টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৪০ হাজার ২০০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ১১ হাজার ৮৬০ পিস, কাশিয়ানী উপজেলায় ৭ হাজার ৭৪০ পিস, কোটালিপাড়া উপজেলায় ৬ হাজার ৫১০ পিস, মুকসুদপুর উপজেলায় ৯ হাজার ১৬০ পিস, টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ৩ হাজার ৯০ পিস এবং গোপালগঞ্জস্থ ৪টি পৌর এলাকায় ৪৬০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।’
এছাড়াও তিনি আরও জানান, `টুঙ্গিপাড়ায় ব্যক্তি উদ্যোগে ৪ হাজার পিস সোয়েটার এবং কোটালিপাড়াতেও ব্যক্তি উদ্যোগ ও বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় কম্বল ও সোয়েটার বিতরণ করা হয়েছে। তবে শীতের মাত্রা পরবর্তীতে আরও বেশি তীব্রতর হলে প্রয়োজনীয় আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।’
You must be logged in to post a comment.