জসীম উদ্দিন, বরগুনা।।
”বাড়িতে কে আছেন?” দরজা খুলুন। দরজা খুলে অবাক অ সহায় এক মধ্যে বয়সী মানুষ। হকচকিয়ে বললেন. ”স্যার এতো রাতে আমার বাড়িতে আপনারা?”
ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আপনার জন্য খাদ্য সামগ্রী নিয়ে আসছি। খাদ্য সামগ্রীর কথা শুনে লজ্জা পেলেন তিনি অথচ তার ঘড়ে খাবার শেষ সন্তান নিয়ে থাকতে হবে অনাহারে। এভাবেই মানবিক হয়ে খাবার নিয়ে রাতের আঁধারে দরজায় কড়া নাড়ছেন। বরগুনার তালতলী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।আর খাবার শেষ হওয়ার খবর টি জানিয়েছিলেন সেই ব্যক্তির মেয়ে ।
এরপর আবেক আপ্লূত হয়ে পরলেন মধ্যে বয়সী সেই মানুষ মধ্যবিত্ত হওয়ায় কাউকে কিছু বলেন নি তিনি। সেই মধ্যবিত্ত লোকের ছোট মেয়ে বলেন, ”আমাদের বাড়ির চাল আজ রাতেই শেষ হয়েছে কিন্তু কারোকাছে লজ্জায় বলতে পারেনি কাল সেহেরি খাবো কিভাবে চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়া আমরা খুব খুশি এ ভাবে কেউ কখনো খাবার পৌঁছে দেয়নি। মধ্যবিত্ত সেই মুরুব্বি বললেন আল্লাহ ফেরেস্তার মত কাউকে দিয়ে খাবার পৌঁছে দিলেন। দোয়া করি আল্লাহর কাছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এরকম উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের, জারা মানুষের কল্যানে মানবতার সেবায় কাজ করছেন।”
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ”গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী। এবং মাননীয় জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ স্যারের নির্দেশে। করোনা ভাইরাসের কারনে’ বেকার কর্মহীন হয়ে পড়া, উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের অসহায়’ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে, খাদ্য সামগ্রী বিতারন করছি।”
এতে করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সত্যি কারের অসহায় মানুষ গুলো খাবার পাচ্ছে। আমি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী তাই অ সহায় এই সকল মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়া ও তাদের ভালো মন্দ খোঁজ খবর রাখা আমার কর্তব্য।
You must be logged in to post a comment.