প্রসঙ্গত, দু’টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান `ম্যাক্স’ ও `তমা’ গ্রুপ ২০১৫ সালের নভেম্বরে এই রেললাইনের কাজ শুরু করে। এতোদিনে তারা তাদের কাজ শেষ করেছেন। এখন শুধুমাত্র কোথাও কোনো রকম ত্রুটি রয়েছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ-নিরীক্ষণ করে দেখা হচ্ছে। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর বয়রা পর্যন্ত ৪৪ কিলোমিটার রেললাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে বলে রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানতে পারা যায়।
এ বিষয়ে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান `ম্যাক্স’ কোম্পানীর প্রকৌশলী এখলাসুর রহমান ও `তমা’ গ্রুপের প্রজেক্ট ম্যানেজার এস এম নজরুল দৈনিক অধিকারকে তাদের সকল কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটেছে বলে জানান। এখন শুধুমাত্র শেষ মুহূর্তের ডেকোরেশনের কাজ চলছে বলেও জানান তারা। ৪৪ কিলোমিটার রেল লাইন, একটি রেল ব্রীজ, ৪৩টি কার্লভাট, এবং ৬টি রেল স্টেশন নির্মাণ প্রকল্পের জন্য সর্বমোট ১২ শ’ ৫৮ কোটি টাকা অর্থব্যয় হয়েছে বলে জানা যায়।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার বলেন, গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘ দিনের বহুল কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণের সাথে সাথে এ অঞ্চলের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে। এ মাসের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রেললাইনের শুভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ জেলাবাসীর অনেকদিনের লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটতে যাচ্ছে বলে মতামত ব্যক্ত করেন তিনি।