আমি মোসাম্মৎ নাজমা বেগম শরীয়তপুর ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্রব ইউনিয়নে ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত তিন বারের নির্বাচিত সদস্য। আমি প্রায় বিশ বছর যাবৎ কনেশ্বর ইউনিয়নে মহিলা সংরক্ষিত সদস্য হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আমার সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কনেশ^র ইউনিয়ন পরিষদ ও কনেশ্বর বাজার সংলগ্ন মডেল জামে মসজিদ নামে একটি বহুতল সরকারি মসজিদ নির্মান কাজ চলছে।
নির্মানাধীন ভবনে কাজ করতে আসা বাগেরহাট জেলার নির্মাণ শ্রমিক মোঃ ওমর শেখ ও মঈন শেখ এর ব্যবহারকৃত দুটি স্মার্ট ফোন গত ২৩ ফেব্রæয়ারী পাশর্^বর্তী ধানকাঠি ইউনিয়নের মৃত-মোতালেব চৌকিদারের ভারসাম্যহীন ছেলে আব্দুল কাদির চৌকিদার চুরি করে নিয়ে যায়। নির্মাণ শ্রমিক ওমর শেখ, মঈন শেখ ও মনির হোসেন শেখ এলাকাবাসীর সহযোগীতায় ভারসাম্যহীন কাদের চৌকিদার নিকট হতে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।
অপর একটি স্মার্ট ফোন উদ্ধারের উদ্যেশ্যে স্থানীয় এলাকাবাসী ভারসাম্যহীন কাদেরের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে, কাদেরকে ধরে এনে কনেশ^র ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন একটি ল্যাম্প পোস্টের সহিত বেধে রাখা হয়েছে, এমন এক সংবাদের ভিত্তিতে এবং কোন প্রকার সহিংসতার ঘটনায় যেনো না ঘটে এই উদ্দেশ্যে আমি ঘটনা স্থানে যাই ।
ভারসাম্যহীন কাদেরকে এলাকাবাসীর গণধলাই থেকে বাঁচাতে ও নির্মাণ শ্রমিকদের মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের জন্য ভারসাম্যহীন কাদেরকে ভয়ভিতী দেখায়। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী একদল কুচক্র মহল আমার সম্মানহানী ও আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর জন্য উক্ত ঘটনার বিষয়টি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে এবং যোগাযোগ মাধ্যম ফেচবুকে ভাইরাল করে।
শুধু তাই নয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারী ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তাই আমি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
You must be logged in to post a comment.