ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় শুক্রবার ভোর থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৬৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অনেকেই।
একাধিক হাসপাতাল সূত্র কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরাকে জানিয়েছে, হতাহতের অর্ধেকেরও বেশি গাজা শহর এবং উত্তর গাজায় ঘটেছে। তবে দক্ষিণে খান ইউনিস ও রাফাহসহ ফিলিস্তিনি উপত্যকাজুড়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরাইলের বিমানবাহিনী।
ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, রাফাহর কাছে শাবুরা ও তাল আস-সুলতান এলাকার পাশাপাশি উত্তর গাজায় তাদের বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। ইসরাইল গাজা শহরের পূর্বে বিশাল এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
শুক্রবার ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ পুনরাবৃত্তি করেছেন, ইসরাইল তার যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে বদ্ধপরিকর।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘পণবন্দীদের মুক্তি এবং হামাসকে পরাজিত করা- ইসরাইলের সেনাবাহিনী এখন চূড়ান্ত বিজয়ের পথে এগোচ্ছে।’
এদিকে জাতিসঙ্ঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি একটি জরুরি সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, ‘গাজার এখন খাদ্যের প্রয়োজন। লাখ লাখ মানুষ ক্ষুধার ঝুঁকিতে রয়েছে।’
আল জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার মানুষ ইসরাইলি বোমাবর্ষণের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ইসরাইলি ত্রাণ সরবরাহের ওপর অবরোধের কারণে তাদের শিশুদের জন্য খাবার নেই।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মাস আগে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা শুরু হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে ৫১ হাজার ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং এক লাখ ১৬ হাজার ৫০৫ জন আহত হয়েছেন।
অপরদিকে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস মোট নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি আপডেট করেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষকে নিহত বলে ধরে নেয়া হচ্ছে।
You must be logged in to post a comment.