আগামী বছর স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের ফলে সম্ভাব্য যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ড. ইউনূস এ নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, সে অনুযায়ী বেশ কিছু অবস্থানপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা বলতে পারি, ২০২৬ সালে যখন উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবো, তখন আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের মর্যাদা আরো বাড়বে এবং ব্যবসা করার সক্ষমতাও বাড়বে।’
২০২৬ সালের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) ক্যাটাগরি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের কথা রয়েছে বাংলাদেশের।
আজ বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে শফিউল আলম বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে এবং আজকের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে যে বাংলাদেশ ২০২৬ সালে গ্র্যাজুয়েশনে যাবে।
সামনে আসা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশ প্রায় সব ধরনের বাণিজ্য সুবিধা যেমন শূন্য শুল্ক সুবিধা পাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়বে এবং ট্রেড রিলেটেড অ্যাসপেক্টস অব ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস (টিআরআইপি) কঠোরভাবে মেনে চলবে।
তবে ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর আরো তিন বছর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।
এক বছর আগে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে ১৬৬ সদস্য দেশ এই সম্প্রসারণ অনুমোদন করে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর, আবুল কালাম আজাদ ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন। -ইউএনবি।
You must be logged in to post a comment.