ফারুক আহমেদ, সিরাজগঞ্জ।।
সিরাজগঞ্জ সলঙ্গায় থানায় এবার পাটের বিক্রয় মূল্যয়ের চেয়ে উৎপাদন মূল্য বেশি, পাটের ভালো ফলন হয়েছে। পাটের ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে। উৎপাদন বাড়ায় চাষিরা খুশি।
তবে বিক্রয় মূল্যর চেয়ে উৎপাদনের মূল্য বেশি হওয়ায় বাজারে পাটের আশানুরুপ দাম পাওয়া যাচ্ছে না বলে তারা হতাশ।
আমশড়া গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের পাট চাষিরা জানান, প্রতি বিঘায় ৫০০০ হাজার টাকা করে আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছে। আমশড়া গ্রামের পাট চাষি ফারুক আহমেদ জানান,হাটে ফড়িয়াদের কাছে পাট বিক্রি করতে হয়। ফড়িয়ারা তাদের নিজেদের আড়ৎদার ও পাট ব্যবসায়ীদের মুনাফা হাতে রাখার পর পাটের দাম দেয়। পাটের সঠিক মূল্য পাওয়া থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।
লাভের পাট কখনও কখনও লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। সলঙ্গার পাট চাষি আঃ হামিদ বলেন, পাট চাষিদের আশা ও দাবি সরকারি ও বেসরকারি পাট মিলগুলো এ মৌসুমে হাটে হাটে অস্থায়ী ক্রয়কেন্দ্র স্থাপন ও সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পাট কিনলে পাটের ন্যায্য মূল্য যেমন পাওয়া যেতো তেমনি ওজনে কারচুপি ও দালাল ফড়িয়াদের হাত থেকে পাট বিক্রির ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হতোনা।

সলঙ্গা আগরপুর গ্রামের তাহের আলী জানান, আমি এ বছর পাট চাষ করে পাটের ভাল ফলন পেয়েছি প্রতি বিঘায় প্রায় ১২ – ১৫ মণ তবে পাট বিক্রিয় মূল্যর চেয়ে উৎপাদনের খরচ আমার বেশি। প্রতি বিঘায় লোকসান প্রায় ৩৫০০ টাকার মতো।
সলঙ্গার আরো এক চাষি বলেন, পাটের চাহিদা ও ফলন বেশি হওয়ায় আবার আমরা জমিতে পাট চাষ করবো। সংসারে দড়ি কাছির চাহিদা মিটাতে আর টাকা দিয়ে লাইলোনের রশি কিনতে হবে না। সেই সঙ্গে জ্বালানী সহায়ক পাটখড়ি প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিক্রি করে ঘরে টাকা আনতে পারবো।
You must be logged in to post a comment.