সিরাজগঞ্জ(সলঙ্গা) থেকে ফারুক আহমেদ।।
ধানের দামে মার খাওয়ার পর পাটের ফলন ভালো দেখে আশার বুক বেঁধে ছিলেন চাষিরা। তবে সে আশায়ও গুড়ে বালি পড়ার শস্কা দেখা দিয়েছে। পাট জাগ দেয়ার পানির অভাবে বিপাকে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার কৃষকেরা। উর্বর মাটি ও আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে পাটের।তবে নদী,খাল,বিল বা পুকুরে পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় পাট জাগ দেয়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। উপায় না পেয়ে সেচ দিয়ে পাট জাগের ব্যবস্থা করছেন অনেকে। আবার দূরে কোথাও নিতে গিয়েও বাড়ছে খরচ। জাগ দিতে দেরি হওয়ায় ভালো হচ্ছে না পাটের রঙ ও গুণগত মান; যার প্রভাব পড়ছে দামেও।
উপজেলা কৃষি সংস্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রায়গঞ্জ উপজেলায় এক হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে আবাদ হয়েছে এক হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে। পাট চাষে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করলেও এখন পাট কাটা মাওসুমে পানির অভাবে পাট নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। উপজেলার সলঙ্গা থানার ২নং ওয়ার্ডের আমশড়া গ্রামের কৃষক আবুল হাসেম জানান, পাটের আবাদ করে এখন লোকসান হচ্ছে। এলাকায় পাট জাগ দেয়ার জায়গার খুবই সংস্কট। এ সময়ে পুকুরেও পানি থাকে না। গত বছর পুকুরের একটু পানি থাকার কারণে পাট জাগ দিয়ে দিয়েছিলাম। এ বছর কথাও পানি না থাকার কারণে ডিপ চালিয়ে একটু দোপার মধ্যে পানি ভরতে হয়েছে। এতে পর্যাপ্ত পানি না হওয়া পানির কালো হয়ে যাচ্ছে। ফলে পাটের রঙ ও গুণগত মান খারাপ হওয়ায় এতে প্রভাব পড়ছে দামেও।
তিনি আরো বলেন, বৃষ্টি বেশি হলে সমস্যা ছিল না। সময়টা এমন যে – ধান ও পাটের জন্য পানি দরকার। ভালো পাটের দাম এখন এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা। আর পাটের রঙ ও গুণগত মান খারাপ হওয়ায় আমরা পাচ্ছি এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা।
You must be logged in to post a comment.