সিরাজগঞ্জের সলঙ্গাসহ তিনটি উপজেলায় গাছে থোকায় থোকায় দুলছে  আমের মুকুল

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০, ৭:৪৪ অপরাহ্ন

ফারুক আহমেদ (সলঙ্গা) সিরাজগঞ্জ থেকে ।।

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গাসহ তিনটি উপজেলায় শেষ সময়ে ফালগুণি হাওয়ায় থোকায় থোকায় দুলছে আমের মুকুল। আম গাছের কচি ডগা ভেদ করে সবুজ পাতার ফাঁকে হলদেটে মুকুল গুচ্ছ যেন উঁকি দিয়ে হাসছে। বাগানের সুনসান নীরবতা চিরে একটানা গান শোনাচ্ছে মৌমাছি। মুকুলের ম ম গন্ধ মানুষের মন ও প্রাণকে বিমোহিত করে তুলেছে।

আমের মুকুলে কৃষকের আগামীর স্বপ্ন দোল খাচ্ছে। সেই সোনালি স্বপ্নকে বুকে ধারণ করেই   আম গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত আমচাষিরা। সেই সাথে সিরাজগঞ্জের  সলঙ্গাসহ তিনটি উপজেলার আম চাষিদের মধ্যে চাপা আতস্ক বিরাজ করছে স্বস্তিতে নেই চাষিরা মনে।  আকাশ কালো হলেই তাদের মধ্যে অজানা এক আতস্ক ভর করে। আমরা আম ঘরে তুলতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা যায় তাদের মনে।  চৈত্র,  বৈশাখ ও আষাঢ় মাসে যে ঘন ঘন বৃষ্টিপাত হয়।  সেই নিয়ে তাদের মনে শস্কা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তাছাড়া আমের বিভিন্ন রোগ বালায়ের ও চিন্তা তো আছেই। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনূকূল থাকায় ইতি মধ্যই কয়েক দফা কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি পাত হওয়ায় আমের মুকুললো এখনো ভালো দেখা যাচ্ছে।

সরেজমিনে তিনটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাজশাহী, চাপাইনবাবগন্জ এলাকার মত এই সমস্ত এলাকায় তেমনি আমের বাগান না থাকলেও সলঙ্গাসহ তিনটি উপজেলার  ১৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি বাড়ীতে আমের গাছ লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিটি বাড়ীর আম গাছে যেন থোকায় থোকায় আমের মুকুল ফুটে আছে। এবার শীতের তীব্রতা তেমন না থাকায় আম গাছে মুকুল এসেছে অনেকটাই। সলঙ্গা আমশড়া  গ্রামের কৃষক ফারুক আহমেদ জানান, আমাদের সলঙ্গায় আমের বাগান না থাকলেও বাড়ীতে বাড়ীতে যে আমের গাছ আছে, তাতেই আমাদের ভালো ফলন হয় এবং চাহিদা মিটিয়ে হাট বাজারে বিক্রি করতে পারি। তাড়াশ রানিদিঘি গ্রামের শিপন সরকার জানান, এ বারে আমার ২০টি আম গাছে অনেক মুকুল দেখতে পাচ্ছি।  আবহাওয়া ভাল থাকলে আমি আমের ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারবো ইশল্লাহ।

 সংশ্লষ্টি  কৃষি কর্মকর্তা জানান, বছর আমের উৎপাদন ভালো হবে। কারন বছর আমের মুকুল ধরার সময় প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। তাই কৃষকেরা ভালো ফলনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ