দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকার নড়িয়া উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নাহিদ হাসানকে পিটিয়ে আহত,মটর সাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া ও তার পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তো-ভোগী পরিবার।
আহত সংবাদকর্মী নাহিদ হাসান, মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালে ৫দিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফিরে ১৩ জানুয়ারি শনিবার দুপুর ১২টায় নড়িয়া সরকারী কলেজ গেইট সংল্গন উপজেলা অস্থায়ী প্রেস-ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদের বাবা মোহাম্মদ বাবুল হোসেন সরদার ও মাতা বেগম নার্গিস(বাবু) উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের বলেন গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদস জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে অমাদের নিকট তম ভোট কেন্দ্র নড়িয়া থানাধীন দক্ষিন লোনসিং ভাগের বাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিকেল ৫টার দিকে আমার বড় ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল হাসন (স্বপন) ভোট উৎসব উপভোগ করতে গেলে।
আনুমানিক সন্ধা ৬টার দিকে ভোটের ফলালাফল ঘোষোনা শেষে নড়িয়া পৈারসভার সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী(৪৬)সেলিম রাড়ী(৩৮)রাসেলরাড়ী(৩৫)খোকন রাড়ী(৪০)নিজাম খাঁ(৩০)আল আমিন বেপারী(২৮)সহ-১০ থেকে ১২জন পুর্ব-শত্রুতার জেরে আমার বড় ছেলের উপর হামলা করে।সংবাদ পেয়ে আমার মেজ ছেলে নাহিদ হাসান ঘটনাস্থানে গেলে তাকে ও পিটিয়ে আহত করে। এবং তার মটর সাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
নহিদের বাবা আরও বলেন শহিদুল ইসলাম (বাবু) রাড়ী, আমার বাড়ী-ঘর লুট করছে, লোনসিং বাংলা বাজারে ঔষোধের দোকান তালা বদ্ধকরে রেখেছে এবং আমার পরিবারসহ-আমাকে হত্যার হুমকি দিচেছে। আমি এই ঘটনার প্রতিবাদ ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গত ১১ জানুয়ারি নড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু নড়িয়া থানা পুলিশ এখনো কোন আসামী গ্রেফতার করেনি।
নাহিদের মা-নারগিস (বাবুল) কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন অমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানের মেয়ে আমার দুই ভাই মুক্তিযোদ্ধা অমি এক জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মেয়ে। মুক্তিযোদ্ধা স্বপক্ষের সরকারের আমলে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি ।আমি আর কি বলবো।
এ ব্যাপারে নড়িয়া থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন থানায় মামলা হয়েছে আসামী গ্রেফতারের চেস্টা চলছে।
You must be logged in to post a comment.