প্রদীপ কুমার দেবনাথ।।
মা’ একজন সন্তানের কাছে সবচেয়ে বড় বন্ধুও শিক্ষক। সন্তানের কাছে মা’ই তার প্রথম আদর্শ। মা সন্তানকে যেভাবে যেই পরিবেশে গড়ে তোলে মানুষ করেন, সন্তান সেভাবেই মানুষ হয়ে উঠে। তাই সন্তানের বেড়ে উঠা ও মানুষ করার পেছনে মায়ের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আজ তেমনি একজন রত্নগর্ভা মা’র কথা তুলে ধরেছি, মীরা রানী দাস ছয় ছেলে-মেয়ের গর্ভধারিণী-মা। তিনি একজন সাধারণ গৃহিণী। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় তিনি খুব বেশি এগুতে পারেননি! তবে স্বল্পশিক্ষিত হলে ও তিনি তাঁর ছয় ছেলে-মেয়েকেই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশাপাশি সমাজে তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে অসামান্য নিষ্ঠা এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন জীবনে।
রত্নগর্ভা “মা” মীরা রানী দাসের স্বামী যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক। (যার হাত ধরে আমার প্রাথমিক শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি) আজ আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, এই দম্পতির ছয় ছেলে-মেয়েরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্ব মহিমায় অালোর উজ্জ্বল দ্যুতি ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশজুড়ে। ১ম সন্তান বড় মেয়ে প্রিতি রানী দাস সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ২য় সন্তান স্মৃতি রানী দাস কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ৩য় সন্তান ছেলে যাদব চন্দ্র দাস চট্রগ্রামে একটি সোনালী ব্যাংক শাখার ম্যানাজার হিসেবে কর্মরত। ৪র্থ সন্তান ছেলে মাধব চন্দ্র দাস সাংবাদিকতা ও গন যোগাযোগ মাধ্যমের সহকারী অধ্যাপক, চট্রগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়। ৫ম সন্তান ছেলে অজিত কুমার দাস। অারব বাংলাদেশ ব্যাংক (এ বি ব্যাংক) এর সিনিয়র কর্মকর্তা। ৬ষ্ট সন্তান ছেলে সঞ্জিত কুমার দাস। কিশোরগঞ্জ ভাগলপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।
তিনি ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার সদর গ্রামের গর্ব, এই মহীয়সী নারী। মীরা রানী দাস রত্নগর্ভা মা – ২০২০ মনোনীত হয়েছেন। তিনি আমাদের সমস্ত মায়েদের জন্য গর্বের এবং অনুপ্রেরণা।
You must be logged in to post a comment.