মানষির দুক্কির কতা কতি কতিউ গাল-মুক লেগে গ্যালো। চারিদিকি সুদো সমস্যা আর সমস্যা। ইবাড্ডা এক ভিক্কুক পরিবারের দুক্কির কতা তালি শোনেন। নয়ন (১৩) নামে এক ছ্যামড়া। তার বাড়ি ঝিনেদার হলদেনি ইউনিয়নের বেড়াদি গিরামে। উটিলো তালগাচে। সেকেন্তে পড়ে যেয়ে হাটুর নলার উপত্তে ভেঙ্গে গিয়েচে। ছুড়াডার আব্বা নওশের আলী ভিক্কে করে বেড়ায়। সে খুবই গরিপ মানুষ। ছেলেডার পা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে পড়েছে মচিবতে। কি করবে বুজে উটতি পাচ্ছে না।
ছেলেডা ম্যালা দিন ভত্তি হয়ে আচে ঝিনেদা সদর হাসপাতালের ৫ নম্বর পেইং বেডে। টাকার অভাবে অপারেশন কত্তি পাচ্চে না। বাপ নওশের আলী ভিক্কে করে টাকা যুগাড় করবে, তারপর ডাক্তাররা অপারেশন করবে। উগার কাচেত্তে শুনে যা বুজা গেল মাত্তর চল্লিশ হাজার টাকা হলি ওষুদ আর সাপোর্টি যন্ত্ররপাতি কিনা যেত। এই চিন্তায় শিশু নয়নের মা ছায়েরা খাতুন আর বুন শিফালী হাসপাতালে এসে নয়নের সিতেনে বসে সুদো কান্দে। কিডা এতো টাকা দেবে তাগার ? বন্দুরা আমরা ইর আগে মম নামে এক মেয়ের করুন কাহিনী দিইলাম। সিডার কিন্তুক গতি হয়েচে। আমাগের ঝিনেদা পৌরসভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু ভাই মমকে দেকতে গিয়ে তার ৫ হাজার টাকা দিয়ে কয়ে আইলো উর সপ অপারেশন খচর মেয়র দেবে। তাই দিয়েচেও। এখন ভিক্কুকের ছেলে নয়নের দায়িত্ব নেবে কিডা বুজে উটা মুশকিল। যাই হোক কতাডা সত্তি কিনা বা কেউ কোন সাহায্য দিতি চাইলি আপনারা নয়নের মুবাইলি কতা কতি পারেন। নয়নের মুবাইলডাও একজন কিনে বিকাশ করে দিয়েচে।
উর বিকাশ নাম্বার হচ্চেগে 01846-020637 আপনারা দ্যকেন, যদি ছ্যামড়াকে কিচুমিচু দিয়ে সগ্গলি অপারেশনে সায্য করা যায় কিনা।
লেখক
আসিফ কাজল
সিনিয়র সাংবাদিক, ঝিনাইদহ।
You must be logged in to post a comment.