পারিবারিক আদালতে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
সংগৃহীত ছবি

বিচ্ছেদের আবেদনের পর পুনরায় সংসার জোড়া লাগাতে পারিবারিক আদালতে গিয়েছিলেন এক দম্পতি। সেখানে আদালতের একটি কাউন্সেলিং সেশনে যোগও দেন তারা। সেশন শেষে স্ত্রীকে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছেন স্বামী। ভারতের কর্ণাটকের একটি পারিবারিক আদালতে এই ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভি।

এই ঘটনার পর ঘাতক স্বামী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পথচারীরা বাধা দেন এবং তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আহত নারীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

হত্যাকাণ্ডের কয়েক মিনিট আগে পারিবারিক আদালতের কাউন্সেলিং সেশনে ওই দম্পতি তাদের মতবিরোধ দূর করে এক হতে এবং সাত বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে রাজি হন।

এনডিটিভি বলছে, কর্ণাটকের হাসান জেলার হোলেনারাসিপুরা পারিবারিক আদালতে এক ঘণ্টার সেশন শেষে শিবকুমারের স্ত্রী চৈত্রা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে শৌচাগারে যান তিনি। তার পেছনে শৌচাগারে ঢুকে পড়েন স্বামী শিবকুমার। সেখানেই চাপাতি দিয়ে চৈত্রার গলা কেটে দেন। এই ঘটনায় ওই নারীর স্বামী শিবকুমারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তি কীভাবে অস্ত্রসহ আদালতে প্রবেশ করলেন সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্ণাটক পুলিশ।

হাসান জেলার জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা হরিরাম শঙ্কর বলেন, এই ঘটনাটি আদালত প্রাঙ্গনে ঘটেছে। আমরা ঘাতককে আমাদের জিম্মায় নিয়েছি। অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। কাউন্সেলিং সেশনের পর কী ঘটেছিল এবং কীভাবে তিনি আদালতের ভেতরে অস্ত্র নিয়ে গেলে তা আমরা তদন্ত করে দেখব।   

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ