একটি প্রভাবশালী মহলের অনৈতিক হস্তক্ষেপে নিয়ামতপুর উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন আজ দ্বিধা বিভক্তিতে। সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক প্রন্থায় নির্বাচন হলেও সেই প্রভাবশালীরা সেই নির্বাচনকে অগ্রাহ্য করে নতুন করে কমিটি করার পায়তারা করছে।
তাই সংগঠনটিকে সুসংহত ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে তাদের অনৈতিক দাবীর প্রেক্ষিতে পুনঃ নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে সংগঠনটি। এমনটাই অভিযোগের সুরে বললেন ঐ সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
পুনরায় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য ও সাধারণ সদস্যদের মতামত জানতে তাই গত ৬ এপ্রিল বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে আসেন বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের প্রতিনিধি সহকারী পরিচালক মোঃ আল মোতাজেদুল ইসলাম। তিনি উপস্থিত সকল সদস্যদের মতামত গ্রহন করেন এবং আগামীতে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের প্রতিনিধি সহকারী পরিচালক মোঃ মোতাজেদুল ইসলাম বলেন, যে কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রভাব খাটাতে পারেন। কিন্তু আমরা আইনের উর্ব্ধে নই। আমরা আইন মেনেই কাজ করবো। যদি কোন মন্ত্রিীও আমাদের সাথে কথা বলেন তাহলেও তিনারা আমাদের আইন ও বিধি মোতাবেক কাজ করারই সুপারিশ করবেন। তাই শ্রম আইনে যা আছে সে মোতাবেক কাজ হবে।
উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মজিবর রহমান বলেন, আমরা শ্রম আইনের ভিক্তিতে গত ১৩ নভেম্বর ২০২১ সোমবার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কোন প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থী না থাকায় আমি মজিবর রহমান সভাপতি ও সামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্য নির্বাহী কমিটি ঘোষনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। তার পরেও একটি প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে সেই নির্বাচনকে বানচাল করে তাদের মনগড়া ও শ্রম আইন বহিঃভূত একটি কমিটি গঠন করেন। যা কোথাও অনুমোদন পায় নাই। এত সংগঠনের মধ্যে দ্বিধা বিভক্তি সৃষ্টি হয়। তাই সব কিছু ভুলে সংগঠনের স্বার্থে সংগঠনকে টিকিয়ে রাখতে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পুনঃ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয় সংগঠনটি। আমিও তাতে সম্মতি দেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা বহাল থাকা সত্ব্ওে অফিস কক্ষের চাবী পর্যন্ত আমাদের কাছে রাখে নাই ঐ প্রভাবশালী মহল।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক বলেন, সংগঠনটিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে। টিকিয়ে রাখতে হবে। তাই অতীতের সকল দ্বিধাদ্বন্দ ভুলে তাদের অন্যায় অবদার মেনে আবারও নির্বাচনের জন্য সম্মতি দিয়েছি। কিন্তু নির্বাচন অবশ্যই শ্রম আইন মেনেই সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ হতে হবে। শ্রম অধিদপ্তরের কাছে এটাই আমার দাবী।
You must be logged in to post a comment.