নওগাঁয় টিসিবি’র পণ্য বিক্রি শুরু হওয়ায় স্বস্তিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠি। নওগাঁর মোট ১১ টি উপজেলায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫ শ’ ৮৪ টি নিন্মবিত্ত বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠি ‘কার্ডধারী পরিবার’ কমমূল্যে টিসিবি’র পণ্য কিনতে পারবেন।
ইতিমধ্যেই টিসিবি’র পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে নওগাঁতে। যার কারনে স্বস্তি ফিরছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠিদের মাঝে।
এরই ধারাবাহীকতায় মঙ্গলবার ২২ মার্চ জেলার রাণীনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের পাইলট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে টিসিবি’র পণ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রির উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ দুলু। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, রানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম হোসেন, ট্যাগ কর্মকর্তা ও একাডেমিক সুপারভাইজার কামরুল হাসান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান চন্দনা শারমিন রুমকি প্রমুখ। এদিন টিসিবি’র ডিলার আব্দুর রাজ্জাকের মাধ্যমে সদর ইউনিয়নের দরিদ্র, অসহায় ও স্বল্প আয়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মধ্যে থেকে উপকারভোগী বাছাইপূর্বক ফ্যামেলি কার্ডধারী ৯ শ’ পরিবারের মাঝে কম মূল্যের এই টিসিবি’র পণ্য সামগ্রী বিক্রি করা হয়। এসময় কমমূল্যে প্রয়োজনীয় এই পণ্যগুলো পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে সুবিধাভোগীরা। তাদের দাবী সরকারের পক্ষ থেকে আগামীতেও যেন এই ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়।
কার্ডধারী সুবিধাভোগীরা টিসিবি’র পণ্য ৫৫টাকা কেজিতে দুই কেজি চিনি, ৬৫টাকা কেজিতে দুই কেজি মসুর ডাল, ১১০টাকা কেজিতে দুই লিটার সয়াবিন তেল ও ৫০টাকা কেজিতে দুই কেজি ছোলা (বুট) পাবেন।
নওগাঁর ১১ টি উপজেলায় টিসিবি’র পণ্য কার্ডধারীরা ইতি মধ্যেই পেতে শুরু করেছেন যা প্রথম ধাপ রমজান এর পূর্বে ও পরবর্তীতে রমজান এর মাঝামাঝি সময়ে এসব পণ্য পাবেন কার্ডধারীরা।
You must be logged in to post a comment.