স্টাফ রিপোর্টার।।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ তেঁতুল শেখ কলেজের ছাত্রী শারমিন সুলতানা (রুমকি) , দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের ভর্তি জন্য ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
তেঁতুল শেখ কলেজের ২০১৬-২০১৭ সালের শিক্ষা বর্ষের ছাত্রী শারমিন সুলতানা ( রুমকি) , চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নবগঠিত গড়াইটুপি ইউনিয়নের তেঘরী গ্রামের মেয়ে। বাবা সদর থানার হেলথ্ ইনেন্সপেক্টর মনিরুল ইসলাম ও মাতা সালমা সুলতানার চার কন্যার মধ্যে ছোট কন্যা ও সরোজগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি আরিফুল ইসলাম লিন্টুর শালিকা। রুমকির টেষ্ট স্কোর -৬২, মেরিট স্কোর -২৬২, মেরিট পজিশন -২৮৪৮, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ।
মেধাতালিকায় বাকিদের পেছনে ফেলেন ২৮৪৮তম স্থান অর্জনকারী শারমিন সুলতানা রুমকি। তিতুদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও সরোজগঞ্জ তেতুল শেখ কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ শারমিন সুলতানা রুমকি তাঁর প্রস্তুতিটা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরপরই শুরু করে দিয়েছিলেন।
ভর্তি-ইচ্ছুকদের সময় নষ্ট না করে তা ঠিকমতো কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়ে রুমকি বলেন, পড়া কিন্তু অনেক, সেই তুলনায় সময় কম। অল্প সময়েই যে বেশি গুছিয়ে পড়তে পারবে, তার সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি। গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো বারবার ঝালাই করতে হবে, বিশেষ করে জীববিজ্ঞানের মানবদেহ অধ্যায় ও রসায়নের অধ্যায়গুলো। সাধারণ জ্ঞান ও ইংরেজি বিষয়ের ওপরও আলাদা জোর দিতে হবে বলে জানান তিনি। সাধারণ জ্ঞানের জন্য সাধারণ জ্ঞানের যে বইগুলো পাওয়া যায় তার ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুতি নিতে হবে। সেই সঙ্গে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত নিত্যনতুন খবর, আগের বছরের মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষা ও বিসিএস প্রশ্নপত্র সমাধান করা যেতে পারে। এখান থেকে অনেক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। ইংরেজিটা সাধারণত এত দিনেরে একাডেমিক পড়াশোনা থেকে যা শেখা হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করেই ভালো উত্তর করা যায়। তবে এর ক্ষেত্রেও আগের বছরের প্রশ্নপত্রগুলো মনোযোগ দিয়ে সমাধানের কোনো বিকল্প নেই।
রুমকি তার ভবিষৎ জীবনের জন্য বাবা, মা, সহপাঠী বন্ধু, বান্ধবী, শিক্ষক, শিক্ষিকা আত্নীয়স্বজন সকলের কাছে দোয়া চেয়েছে।
You must be logged in to post a comment.