সিরাজগঞ্জ (সলঙ্গা)থেকে ফারুক আহমেদ।।
খরায় সিরাজগঞ্জ সলঙ্গাতে ব্যবসা বাণিজ্যে হাট-বাজার সস্কুল,কলেজ, অফিসসহ পথোচারিরাও পর্যন্ত জনজীবন অতিষ্ঠত হয়ে পড়েছে। এ জন শ্রবণ নয় চৈত্র মাস। একটা সময় ছিল জ্যৈষ্ঠ,আষাঢ়,শ্রবণ মাসে বৃষ্টির কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারত না।
জ্যৈষ্ঠ,আষাঢ়,শ্রবণ, মাসে কৃষকরা থাকত মাঠে আর জেলা থাকতো নদী বা মাঠে মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত। আরো থাকতো ব্যস্ত প্রতি বাড়িতে জিও বৌয়েরা মাছ কাটার জন্য। আজ দিন বদলে গেছে। শ্রবণ শেষ হতে চললেও বর্ষাকালে খরায় পড়ছে দেশ। বর্ষার ভরা মৌসুমে জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ় পাড় হলেও শ্রবণের শেষেও বৃষ্টির দেখা নেই। প্রখর রোদে মাটি ফেটে চৌচির। প্রকৃতি যেনু বিরাগভাজন। গাছে পাতা পর্যন্ত নড়ে না। প্রখর সূর্য্যতপ্ত আলো ছড়াচ্ছে। পিচঢালা পাকা রাস্তায় পা রাখার উপায় নেই। ঘর থেকে আছেই। সলঙ্গা আমশড়াসহ কয়েকটি গ্রামের নদ-নদী -খাল বিলে পানি নেই। দু’এক জায়গায় পানি থাকলেও দুপুরের পর তা গরম হয়ে উঠছে।
মাঠ – ঘাট শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। কোথাও এতটুকু স্বস্তি নেই। একে তো কাঠফাটা রোদ, তার ওপর ক্রমাগত তাপমাত্রা বাড়ছে। চৌচির হচ্ছে রোপা – আমন ক্ষেত। বৃষ্টির অভাবে কৃষক পাটের জাকদিতে পারচ্ছে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে আমন চাষ। অন্যদিকে গরম ও অব্যাহত বাতাস না থাকার কারণে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষসহ প্রাণীকুল। শ্রবণ শেষ হতে চললেও বর্ষণ তো বরং মেঘমুক্ত আকাশ, প্রখর রোদ ও তাপদাহে সিরাজগঞ্জ জেলার ৩ টি উপজেলা যেন মরুভূমিতে পরিণত হয়ে গেছে।
You must be logged in to post a comment.