সিরাজগঞ্জ(সলঙ্গা)ফারুক আহমেদ।।
কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ সলঙ্গাতে আবারো বেড়েছে রসুন, আদা,পিঁয়াজের দাম। সামান্য কিছুটা কমেছে সবজির দাম। একইসঙ্গে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। তবে বাজারে নতুন করে বেড়েছে রসুন, পিঁয়াজ ও আদার দাম। বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছুদিন আগেও সিরাজগঞ্জ সলঙ্গায় আমশড়া বাজার সহ বিভিন্ন বাজারে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকার নিচে বিশেষ কোনো সবজি মেলেনি। আবার অসময়ের কিছু সবজি কেজি প্রতি প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় উঠেছিল। তবে সে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ওইসব সবজি অর্থাৎ বেগুণের কেজি প্রতি, ১০-২০ টাকা কমেছে। যদি এ দাম স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখনো বেশি। একইভাবে ২০০ টাকা থেকে কাঁচামরিচ নেমেছে ১৬০ টাকা দরে আর সাধারণ দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমে এখুন ৪০ টাকা ও ভারতীয় বড় পেঁয়াজ ৫ টাকা কমে ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে এসেছে
তবে ঈদকে সামনে রেখে সলঙ্গার বিভিন্ন বাজারে চাহিদা অনুসারে আবারো বেড়েছে রসুন, পিঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও আদার দর। রসুন কেজি প্রতি ২০০ টাকা একুই দর আদারো প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। গত সাপ্তাহের চেয়েও আবারো কাঁচামরিচ বেড়ে ২০০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। সলঙ্গার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘরে আরো দেখা গেছে,বন্যার প্রভাবে বাড়তি বেগুনের দাম ২০ টাকা কমে এখন ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কিছুটা কমে পটোল,কাঁকরোল, কচুরলতি,ঝিঙে,ঢেঁড়স, কচুমুখী, ধুন্দুলের,করলা কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকার মধ্যে এসেছে। আর ৮- ১০ টাকার মধ্যে মিলছে পেঁপে ও কুমুর ৫ থেকে ৮ টাকায়। তবে কমেনি মাছ ও ডিমের দাম। দেশিও শিং, মাগুর বা কৈ মাছ কিনতে হলে লাগবে তিনগুণের বেশি। পাশাপাশি বাজারে ফার্মের ডিমের ডজন এখন ১২০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি মাংস ১৮৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে কক, এমনকি সোনালী জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায় ও দেশী জাতের মুরগি কিনতে গুণতে হচ্ছে কেজি প্রতি ৩০০ – ৪০০ টাকা পর্যন্ত।
অন্যদিকে গরুর মাংস কিনতে গেলে ৫০০ – ৫২০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস পাওয়া যায়। এ দর কোরবানির সময় একটু কম হবে বলে জানান, কয়েকজন ব্যবসায়ী।
You must be logged in to post a comment.