শাহনেওয়াজ সুমন, ঝিনাইদহ।।
কথায় আছে “ খায় দায় চান মিয়া মুটা হয় জব্বার”। সরকারের কিছু দপ্তরের অবস্থা এখন এই দাড়িয়েছে । সরকার কর ট্যাক্স ও ভ্যাট ধরে জনগনের। কৃষক, চাকরীজীবী ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের ঘাম ঝরানো টাকা জমা হয় রাজকোষে। জনগনের এই টাকা দিয়ে সরকার রাস্তা, ঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, ভবন তৈরী করে। এগুলোর সুবিধাভোগী আবার সেই ট্যাক্সদাতা জনগনই। রক্ত পানি করা ট্যক্স. কর আর ভ্যাটের টাকা যখন সেই সব মানুষরাই দেখেন অর্থলোভী নরপিচাশরা নয় ছয় করে টাকগুলো পকেটে ঢুকাই, তখন মনের অজান্তেই লানত নিক্ষিপ্ত হয়। রাষ্ট্রযন্ত্র এ সব চোরদের যখন কিছু না বলে তাদের উদর পুর্তিতে সহায়তা করে মানুষ তখন আশাহত হয়। ঝিনাইদহ শহরের হামদহ বাসষ্ট্যান্ড থেকে চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড হয়ে আরাপপুর কলারহাট পর্যন্ত রাস্তার ভাঙ্গাচোরা মেরামত করার জন্য কোটি টাকার টেন্ডার হয়।
সরকারের মহৎ লক্ষ্য ছিল ইদুল ফিতরের আগে ঘরমুখো মানুষ যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে। কিন্তু বিধি বাম। ২০ দিনের মধ্যেই যা হবার তাই হলো। যে টুকু ভাল ছিল তাও মেরামতের পর নষ্ট হলো।

ঝিনাইদহ শহরের হাসান ক্লিনিকের সামনের এই দৃশ্য কোটি টাকা দিয়ে রাস্তা মেরামতের বড় সাক্ষি। খোজ নিয়ে জানা গেল খুলনার শহীদ এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্স নিয়ে শৈলকুপার ঠিকাদার আমিরুল ইসলাম কাজটি করেন। আর ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের এসও সাকিব কাজটি দেখভাল করেন। দেখভাল করার পরও উপরি ইনকামের কাছে নিজের দায়িত্বশীলতা বিকিয়ে দিয়েছেন সাকিব। জানা মতে এক কোটি টাকা কিন্তু আমাদের সমাজে ৯৫% ভাগ মানুষ আছেন যারা চোখে দেখেন নি। অর্থাৎ জমিয়ে এক জায়গায় করে দেখননি। সেই টাকা যখন চোখে ধুলা দিয়ে লোপাট হয়, তখন ট্যাক্স ভ্যাট দেওয়া কর্মজীবী মানুষগুলোর অন্তর থেকে অজান্তেই বেরিয়ে আসে অস্ফুট অসহ্য গোঙ্গানী।
You must be logged in to post a comment.