কালীগঞ্জ মাহ্তাব উদ্দিন কলেজের ৫ মেধাবী রত্ন মেডিকেলে চান্স পেয়েছে

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮, ৭:১০ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার।।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দেশের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা। এবার সারাদেশ থেকে সরকারী মেডিকেল কলেজ সমূহে ডাক্তারী পড়ার জন্যে মোট ১৯ টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছে ৬৩ হাজার ২৬ জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী। এগুলোর মধ্যে সরকারী মেডিকেল কলেজে মেধাক্রমে ভর্তি পরীক্ষায় নির্বাচিত হয়েছে ৪ হাজার ৪৮ জন। এর মধ্যে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সরকারী মাহ্তাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের মেধাবী রত্ন সরকারী মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর এতো বেশী সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী সরকারী মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পায়নি। যে কারনে কলেজটি সরকারীকরন হতে না হতেই কালীগঞ্জবাসীর কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। কলেজটিতে কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সুনাম এখন সবার মূখে মূখে। এই কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের প্রবীন শিক্ষক শ্রী শশাংক কুমার ছানা জানায়, তাদের কলেজ থেকে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত যে ৫জন মেধাবী শিক্ষার্থী এমবিবিএস ভর্তি যুদ্ধে উত্তীর্ণ হয়েছে

এরা হলো যথাক্রমে পুলিশ কর্মকর্তা পাটকেলঘাটা উপজেলার বাসিন্দা সরদার বাবর আলীর (মাতা- লতিফুল আক্তার) কন্যা মোছাঃ রুকাইয়া বিনতে আলী, কালীগঞ্জ পৌরসভার বাজার পাড়ার বাসিন্দা দৈনিক নবচিত্র পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক মোস্তফা আব্দুল জলিলের (মাতা-আসমা খাতুন) কন্যা মোছাঃ লামিয়া শারমিন, হেলাই গ্রামের ব্যবসায়ী ফারুক হোসেনের (মাতা-জয়নাব বেগম) কন্যা মোছাঃ সুরাইয়া জাহান, চাপালী গ্রামের বর্তমান বাসিন্দা উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের কন্যা মোছাঃ সৌরিন ইসলাম এবং কালীগঞ্জের চাপরাইল গ্রামের হামিদুল ইসলামের (মাতা-লিপি খাতুন) পুত্র মোঃ তানভির আহমেদ। এছাড়া কালীগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সদর উদ্দিন মিয়ার ভাগ্নি মোছাঃ সাদিয়া আফরিন (মাতা-সুফিয়া খাতুন) ময়মনসিংহ থেকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তার পিতা গ্রামীন ব্যাংকে কর্মরত প্রকৌশলী গাজী ফরহাদ হোসেন। অন্যদিকে কালীগঞ্জ থেকে প্রকাশিত বহুল প্রচারিত দৈনিক নবচিত্র পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক আলহাজ্ব মোঃ সহিদুল ইসলামের একমাত্র পূত্র আজমল হোসেন (সজল) ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ”ক” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রথম কাতারে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এই ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ১৭৫০টি।

 

পরবর্তিতে সে বুয়েটে পড়ার জন্য ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছে। আর সাংবাদিক মোস্তফা জলিলের কন্যা লামিয়া শারমিন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ”ডি” ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। এই ইউনিটে আসন সংখ্যা ৩৪০টি। লামিয়াসহ কালীগঞ্জ মাহতাব উদ্দিন কলেজের আরো দুটি মেয়ে ঢাবির ”ক” ইউনিটের ভর্তি তালিকায় অপেক্ষামান রয়েছে। আর রুকাইয়া বিনতে আলীও ঢাবির ”ক” ইউনিটে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। উল্লেখ যে এই মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা সবাই এএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে মেধার পরিচয় দিয়েছে।

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ