স্টাফ রিপোর্টার।।
একটি বঞ্চিত গ্রামে তাঁদের মহতী প্রয়াস। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন এক দূর্গম এলাকা। ‘৭১’ পরবর্তী সময়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সনাতন ধর্মাবলম্বী গ্রাম দু’টি। অথচ ‘৭১’ পূর্ববর্তী সময়ে ছিলো গোয়ালভরা ধানের আঁধার।
রানীগঞ্জ ইউনিয়নের সবচে বেশি দুঃসাহসিক মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রাম “মেঘারকান্দি-হরিনাকান্দি”। স্থানীয় নির্বাচনে জয় পরাজয়ের বড় একটি ফ্যাক্টর হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি আজও।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে গ্রাম দু’টি। আমরা এখানে কোন ত্রাণ বিতরণ করিনি। দূর্গম রাস্তা ঘাটের কারণে তাঁরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। যেমন-টিসিব পণ্য, পেয়ার প্রাইসের ১০টাকা কেজি ধরের চা বা অন্যান্য রিলিফ সংগ্রহে “খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি” গ্যাঁড়াকলে তাঁরা তা সংগ্রহ করতে পারতো না।
শিক্ষক আবদুস সামাদ স্যার আজ কিছু টিসিবি পণ্য এবং কিছু পণ্য বাজার থেকে ক্রয় করে পরিবহনসহ মোট ৩০% কম মূল্যে সরবরাহ করে। যা করেছেন তা নিজ বেতনের বৈশাখী ভাতা এবং রানীগঞ্জ বাজারের টিসিবি ডিলার বাবু ধনেশ রায়ের আর্থিক সহায়তায়।
তাঁদের সাথে স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে ছিলো প্রাক্তন ছাত্র আলী নুর, সোলেমান, আব্দুর রহিম, রাজন এবং কাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহাকারি শিক্ষক জামিনুর রহমান।
স্বেচ্ছাসেবকদের নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয়বাবদ প্রাক্তন ছাত্র ছালেহ হকের ৩০০০টাকা প্রদান ছিলো এই কাজের প্রধান উদ্দীপনা।
তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাবু ধনেশ রায় ও ছালেহ হককে।
You must be logged in to post a comment.