ফারুক আহমেদ, সিরাজগঞ্জ।।
আমশড়া বালিকা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক হেলাল এখন শ্রমিক হয়ে অন্যর পুকুরে জেলে সেজে মাছ ধরে পরিবারে জিবিকা বরণ পষণ করেন।
সাড়ে ১২ বার বছর এক ধারে বিনা বেতুন শিক্ষকতা করছেন তিনি। সংসার চালাতে আর অসুস্থ মায়ের ওষুধের টাকা জোগাড় করতে পুকুরে পুকুরে জাল বয়ে, এমনকি অন্যরবাড়িতে শ্রমিকের কাজ করে জীবনের শেষপ্রান্তে এসে জীবিকা নির্বাহের জন্য জাল বোওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই এই শিক্ষের ভাগ্যে। তবে স্কুল একদিন এমপিওভুক্ত হবে এমন আশায় শিক্ষকতা ছাড়েননি তিনি। সকল থেকে স্কুলের সময় শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত অন্যান্যর বাড়িতে শ্রমিকের কাজ করতেন। আর সকাল ১০টার মধ্যে স্কুলে হাজির হন। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে রুটিন মোতাবেক ক্লাস নিয়ে আবারো বাকি অংশ কাজ সমাপ্ত করেন তিনি। বা কোনো কোনো দিন অন্য সময়ে বিকালে ভাইয়ের অটো নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন তিনি।
হেলাল আহমেদ সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলা সলঙ্গা থানার আমশড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মৌলোবি শিক্ষক। তিনি, ৩নং ধুবিল ইউপি ২নং ওয়ার্ড আমশড়া গ্রামের মৃত হোদু অলীর মেঝো ছেলে। শিক্ষক হেলাল আহমেদ জানান, ২০০০ সালে ৪ফেব্রুয়ারি তিনি ওই স্কুলে মৌলোবি পথে যোগ দেন। স্কুলটি ২০০০১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অনুমোদন পেয়েছে।
কিন্তু ১৮ বছর পেরেোলেও স্কুলটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় স্কুলটির শিক্ষক – কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি স্কুলটির এমপিওভুক্ত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, বাবা হোদুর মৃত্যু পর ছেলে/মেয়ে ভাই,বোন মা ৮ সদসোর সংসার আর অসুস্থ মার প্রতিদিনের ওষুধের খরচ চালাতে কোনো উপায় না থাকায় অটো চালানো ও অন্যরবাড়িতে শ্রমিকসহ পুকুরে জালদিয়ে মাছ ধরা কাজে নামার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বাড়ির লোকজন তাকে মানসিক শক্তি জোগান।
বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ১০ কাঠা জমি বিক্রি করে তা দিয়ে না হয়ে তিনি স্থানীয় একটি এনজিও থেকে কিছু টাকা কিস্তিতে ঋণ নিয়ে তিনি স্কুলে দিয়েছিলেন আজ তিনি সব কিছু হারিয়ে সর্বসান্ত হয়ে এখন মানবেতর জীবনের ঘানি টানতে টানতে আজ বড় অসহায়
You must be logged in to post a comment.