আহসান হাবীব, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি।।
ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম দীর্ঘ্য দিন মহেশপুর সাধারন মানুষের সেবা দিয়ে ভালো বাসা দিয়ে সাধারন মানুষের মন জয় করে মহেশপুর উপজেলাকে শতভাগ এগিয়ে দিয়ে চলে যেতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে কাঁদিয়ে।
তিনি কর্মরত থাকা কালিন মহেশপুরের অসহায় মানুষের পাশে থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যর পক্ষে থেকে মহেশপুর উপজেলাকে অনেক এগিয়ে দিয়েছে।মহেশপুর সাধারন মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান আমাদের মনে হয় মহেশপুরের সব থেকে আলোচিত ,সমালোচিত,ন্যায়পরায়ন,যোগ্য ব্যাক্তি আজ বিদায় নিবে।তারা আরো বলেন আপনার হাত ধরে মহেশপুরের অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে যা সাধারন মানুষের জন্য অতিব মঙ্গলজনক।

আপনাকে ভুলবেনা মহেশপুরের সাধারন জনগন। তার জন্য আমার পক্ষ থেকে আপনাকে স্যালুট_স্যার মনের অন্তর্স্থল থেকে। আজ যদি মহেশপুর সাধারন মানুষের ক্ষমতা থাকতো আপনাকে ধরে রাখার তাহলে আপনাকে ধরে রাখতো। আপনি চলে গেলে তাদের কিছু হবে না জারা অন্যায় কারি। আর কাঁদবে অনেক মা যারা সঠিক বিচার পেয়েছে, যারা আপনার সহযোগীতায় পাপিয়ার মতো সাবলম্বী হতে পেরে নিজের পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারছে,যে মায়ের ছিলোনা থাকার মতো একটুকরো ঘরের চাল আর আপনার সহযোগীতায় যে মা ঘুমাচ্ছে শান্তিতে।
তাই কষ্ট হবে না তাদের যারা অপরাধ ও কষ্ট পাবে এস বি কে ইউনিয়নের অসহায় দুর্গা রানী ভিক্ষুক আনারুল হক, এসবিকে ইউনিয়নের অনার্স শিক্ষার্থী শিলা খাতুন, মান্দার বাড়ীয়া ইউনিয়নের শাহিদা খাতুন, খালিশপুর স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল, মহেশপুর পাইলট স্কুলের শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় এ প্লাস প্রাপ্ত ডিপজল হোসেন, অসুস্থ অঞ্জলি, প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক কাজল বেগম, কাজিরবেড় ইউনিয়ন এর মনিরা খাতুন, দারিদ্র শিক্ষার্থীর আলমগীর এর পিতা আমিনুল, পূর্নবাসিত হাসিনা,ফতেপুর ভাটাম তালার অসহায় হানিফ ষ্টোর, নাম না জানা আরও অনেকেই মনে রাখবে যতদিন তারা রবে। শুধু তাই নয় মহেশপুর উপজেলা কে শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনার সেই মহানায়ক কামরুল ইসলাম সালাম জানাই হাজার বার।আজ থেকে কপাল পুড়লো মহেশপুর বাসির আর কপাল খুললো খুলনা বাগেরহাটের।