রাজশাহী মহানগরীর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দামপুকুর এলাকায় জমির বিরোধে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই নেতার গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ নেতা মাহাতাব হোসেন ও বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষে শফিকুর নিজেসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।
আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন। তাদের মধ্যে ১০ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের একজনকে গুরুতর অবস্থায় আইসিইউতে নেয়া হয়। নিহতরা হলেন, দাশপুকর এলাকার সাজদার আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও গিয়াস উদ্দিনের ছেলে জয়নাল (৪৫)। এদের মধ্যে শফিকুর নগর বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
আহতদের রামেক হাসপাতালের ৮ ও ৩১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। আহদের বেশীর ভাগ আঘাত মাথায়।তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থল ও রামেক হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
ওসি মাঝাহারুল বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মাহাতাব ও বিএনপি নেতা শফিকুল গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের একজন করে মারা যান। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাতাব হোসেন গ্রুপের মাহাতাব নিজে (৫০), কামাল হোসেনের স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৪০), মুনসুর আলীর ছেলে সোহেল (৩২)।
আর শফিকুর গ্রুপের শফিকুল ইসলঅম নিজে মারা যান। তার গ্রুপের আহতরা হলেন, শফিকুলের ভাই সালাম (৪০), লুৎফর আলীর ছেলে সোহাগ (৩২)। আহতদের মধ্যে উভয় পক্ষের এই পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর।আহতদের মধ্যে মাহাতাব হোসেন নগরের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার ছেলে সেলিম মুর্শেদ পিস্তল হাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে গত ২৮ জুন তিন সহযোগিসহ গ্রেপ্তার হন।
রাজপাড়া থানার ওসি মাঝাহারুল ইসলাম জানান, বুধবার দুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
You must be logged in to post a comment.